১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ১১:০৭:৪৪ অপরাহ্ন


আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৩-০৫ ১৫:০৮:১৯
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল ছবি: সংগৃহীত


২০২৪ সালের ঐতিহাসিক কোটাবিরোধী আন্দোলনে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আগামী ৯ এপ্রিল রায়ের এই তারিখ নির্ধারণ করেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা এই মামলাটি জাতীয় পর্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এই মামলায় ইতোমধ্যে বেশ কিছু আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুনানিতে বেরোবির তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলামের পক্ষে অংশ নেন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো। অন্যদিকে, পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাদের পক্ষে আইনজীবী মামুনুর রশীদ, ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এখন সবাই চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন।

মামলাটিতে এ পর্যন্ত ছয়জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ আরও ২৪ জন আসামি এখনও পলাতক রয়েছেন। পলাতক এই আসামিদের আইনি লড়াই চালানোর জন্য সরকারি খরচে চারজন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এই মামলার বিচারিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০২৫ সালের ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর ৩০ জুন আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ আমলে নেন। জুলাই মাসে পলাতক আসামিদের জন্য আইনজীবী নিয়োগের পর ৬ আগস্ট ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করা হয়। সবশেষে ২৭ আগস্ট সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়েছিল, যা এখন রায়ের পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে।