১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৬:৫৯:৪৩ অপরাহ্ন


স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি
জাতীয় ডেস্ক | ট্রেন্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৮-৩০ ১৮:৫৮:৩২
স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগী I ছবি: সংগৃহীত


আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির হুঁশিয়ারি


       স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না বলে দৃঢ় ঘোষণা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি।


রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এ ঘোষণা দেন।


গুমের বিচার ও রাষ্ট্র পুনর্গঠন


রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট জানান, দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সব পথ চিরতরে বন্ধ করা হবে।


রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের মূল দিকসমূহ:


  • স্বচ্ছ বিচার ব্যবস্থা: গুম ও গণহত্যার বিচারের কাজ সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এগিয়ে চলছে।

  • ক্ষমতার ওপর আইনি নিয়ন্ত্রণ: রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থাকবে না এবং ক্ষমতার ওপর সংবিধান ও আইনের কঠোর নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

  • রাষ্ট্রের ভিত্তি: গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সাম্য ও মর্যাদাকেই রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।

                 রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের মূল বিষয়সংক্ষেপ
   -----------------------------------------------------------------
   ১. প্রধান ঘোষণা          : স্বাধীন বাংলাদেশে কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না
   ২. অপরাধীদের শাস্তি  : ক্ষমতাবান হলেও সর্বোচ্চ শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে
   ৩. বিচারে মানদণ্ড      : স্বচ্ছতা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখা
   ৪. শাসনের ভিত্তি         : আইনের নামে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুযোগ বন্ধ করা


অতীত সরকারের সমালোচনা ও মানবাধিকারের প্রতিশ্রুতি


বিগত দেড় দশকের পরিস্থিতির কঠোর সমালোচনা করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ওই সময়ে গুম ও গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’-এর দুঃসহ থাবা দেশের ওপর চেপে বসেছিল।


বিষয়রাষ্ট্রপতির বক্তব্য ও ব্যাখ্যা
অতীতের অপরাধগণতান্ত্রিক অধিকারের আন্দোলন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই তুলে নিয়ে গুম করা হতো।
প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাতৎকালীন সময়ে ফ্যাসিস্টের আজ্ঞাবহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এসব গুরুতর অপরাধ প্রতিনিয়ত অস্বীকার করেছে।
ভবিষ্যৎ অঙ্গীকারদেশে আর কখনো আইনের নামে সুবিচার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুযোগ দেওয়া হবে না।
রাষ্ট্রপতি আশ্বস্ত করেন যে, নতুন বাংলাদেশে প্রতিটি নাগরিকের আইনি সুরক্ষা ও সাম্য নিশ্চিত করাই হবে সরকারের প্রধান লক্ষ্য।