১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ১০:৫১:২৫ অপরাহ্ন


সিলেটের সেই ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ যাওয়ার রাস্তা পাকা করার উদ্যোগ
পর্যটন ও আঞ্চলিক প্রতিবেদক | ট্রেন্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৮-০৪ ১৮:৩৭:১১
সিলেটের সেই ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ যাওয়ার রাস্তা পাকা করার উদ্যোগ ছবি: সংগৃহীত


প্রথম আলোয় সংবাদ প্রকাশের পর ব্যবস্থা নিলেন ডিসি; দেড় কিলোমিটার সড়ক পাকা করতে এলজিইডিকে নির্দেশ


সিলেট: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ভারত সীমান্তঘেঁষা ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ হিসেবে পরিচিত সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র মিনাটিলায় যাওয়ার বেহাল সড়কটি পাকা করার উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবদুল্লাহ আল মামুন সড়কটি চলাচলের উপযোগী ও পাকা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে (এলজিইডি) লিখিত নির্দেশনা দিয়েছেন।


গতকাল সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে জেলা প্রশাসক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


প্রথম আলোর সংবাদের পর প্রশাসনিক পদক্ষেপ


গতকাল প্রথম আলোর অনলাইনে ‘সীমান্তের মিনাটিলা যেন মেঘ-পাহাড়-নদীতে ঘেরা মিনি সুইজারল্যান্ড’ শীর্ষক একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে মেঘ, পাহাড় ও নদীর অপরূপ মেলবন্ধনে তৈরি মিনাটিলার অপার পর্যটন সম্ভাবনার পাশাপাশি সেখানে যাওয়ার প্রধান সড়কের বেহাল অবস্থার কথা তুলে ধরা হয়।

সংবাদটি নজরে আসার পরই দ্রুত পদক্ষেপ নেয় জেলা প্রশাসন। এলজিইডি সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলীকে পাঠানো নির্দেশনামূলক চিঠিতে জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর মিনাটিলায় উপযুক্ত সড়ক যোগাযোগ না থাকায় সম্ভাবনাময় স্থানটি পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে প্রত্যাশিতভাবে বিকশিত হতে পারছে না।


বাংলাবাজার থেকে মিনাটিলা সড়ক পাকাকরণ


চিঠিতে পর্যটকদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে জৈন্তাপুর উপজেলার বাংলাবাজার থেকে মিনাটিলা পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার কাঁচা ও খানাখন্দে ভরা সড়কটি দ্রুত পাকা করার উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।


স্থান ও রাস্তার বিবরণবিস্তারিত তথ্য
পর্যটন কেন্দ্রের নামমিনাটিলা (‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ খ্যাত)
অবস্থানজৈন্তাপুর উপজেলা, সিলেট (ভারত সীমান্তবর্তী)
প্রস্তাবিত সড়কবাংলাবাজার থেকে মিনাটিলা (দৈর্ঘ্য: প্রায় ১.৫ কিমি)
বাস্তবায়নকারী সংস্থাস্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), সিলেট
উদ্যোগ গ্রহণকারীজেলা প্রশাসক (ডিসি) আবদুল্লাহ আল মামুন

স্থানীয়দের মতে, ১.৫ কিলোমিটারের এই সড়কটি পাকা হলে ওই অঞ্চলে পর্যটকের সমাগম বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।