১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৯:১০:২৫ অপরাহ্ন


রোজায় সুস্থ থাকতে ইফতার শুরু করা যেতে পারে সালাদ দিয়ে
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৩-১৫ ১৫:০৯:৪১
রোজায় সুস্থ থাকতে ইফতার শুরু করা যেতে পারে সালাদ দিয়ে ছবি: সংগৃহীত


ইফতারের চিরাচরিত সংস্কৃতিতে আমরা বছরের পর বছর ধরে পেঁয়াজু, বেগুনি বা আলুর চপের মতো তেলে ভাজা খাবারের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর এসব ভারি খাবার পাকস্থলীর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, যার ফলে ইফতারের পরপরই ক্লান্তি ও আলস্য শরীরকে গ্রাস করে। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতা নিশ্চিত করতে এবং শরীরকে সতেজ রাখতে ইফতারের মেন্যুতে আমূল পরিবর্তন আনা এখন সময়ের দাবি।

সারাদিনের পানিশূন্যতা ও ক্লান্তির পর শরীর মূলত হালকা এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর খাবারের খোঁজ করে। এক্ষেত্রে সালাদ হতে পারে আদর্শ সমাধান। এটি কেবল রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণই করে না, বরং দ্রুত হজম হয়ে শরীরকে তাৎক্ষণিক সতেজতা দেয়। অনেকেই সালাদকে সাদামাটা খাবার মনে করে এড়িয়ে যান, কিন্তু সাধারণ কিছু উপাদানে একে করে তোলা যায় রেস্টুরেন্টের মতো সুস্বাদু ও আকর্ষণীয়।

সালাদকে পুষ্টিকর ও মুখরোচক করার জন্য এতে সেদ্ধ ছোলা, মুরগির মাংস বা ডিমের মতো প্রোটিন যোগ করা যেতে পারে, যা শরীরে শক্তি জোগাবে। স্বাদে ভিন্নতা আনতে আপেল, নাশপাতি বা ড্রাগন ফলের সাথে সামান্য মধু বা চাট মশলা মিশিয়ে তৈরি করা যায় ফ্রুট সালাদ। খাবারে বাড়তি পুষ্টি ও মুচমুচে ভাব আনতে কাজুবাদাম বা কাঠবাদাম যোগ করা এবং ড্রেসিং হিসেবে অলিভ অয়েল, লেবুর রস বা টক দই ব্যবহার করলে সাধারণ সালাদও হয়ে ওঠে অনন্য। এছাড়া দীর্ঘক্ষণ সতেজ থাকতে এতে ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ চিয়া সিডও মেশানো যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, ইফতারের টেবিল থেকে ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো একেবারে বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে জিলাপি বা হালিমের পরিমাণ কমিয়ে প্লেটের অন্তত অর্ধেকটা সালাদ দিয়ে সাজানোই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। এই সামান্য অভ্যাসটি হৃদপিণ্ড ভালো রাখার পাশাপাশি ইফতার-পরবর্তী শারীরিক অস্বস্তি দূর করতে প্রাকৃতিক টনিক হিসেবে কাজ করবে।