১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৮:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন


বিপিএল ফিক্সিংয়ে অভিযুক্ত তিন ব্যক্তির নাম প্রকাশ করল বিসিবি!
ক্রীড়া প্রতিবেদক | ট্রেন্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৯-০১ ১৮:২৬:২৮
বিপিএল ফিক্সিংয়ে অভিযুক্ত তিন ব্যক্তির নাম প্রকাশ করল বিসিবি! ছবি: সংগৃহীত


১২তম বিপিএলে ফিক্সিং ও তদন্তে বাধার অভিযোগ; অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৩ জন সাময়িক নিষিদ্ধ

      বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরে দুর্নীতি ও ফিক্সিংয়ের অভিযোগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ২০২৪ দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালা ভঙ্গের দায়ে তিনজনকে অভিযুক্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) তদন্তের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বোর্ড।

অভিযুক্ত তিন ব্যক্তি হলেন—বিসিবির সাবেক পরিচালক ও অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুখলেসুর রহমান শামীম, বিসিবির সাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসার জাকির হোসেন এবং বগুড়া জেলার সাবেক বিসিবি কাউন্সিলর ও অডিট কমিটির সাবেক সদস্যসচিব রাকিবুল ইসলাম সানি।

অভিযুক্ত তিন ব্যক্তি ও তাঁদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ


তিনজনের বিরুদ্ধে বিপিএলে সরাসরি ফিক্সিংয়ে জড়ানো, তথ্য গোপন করা এবং আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তার (ড্যাকো) তদন্তে বাধা সৃষ্টির মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ:

                  বিপিএল ফিক্সিংয়ে অভিযুক্ত তিন ব্যক্তির তালিকা
   -----------------------------------------------------------------
   ১. মুহাম্মদ মুখলেসুর রহমান (শামীম): ফিক্সিং পরিকল্পনা, প্ররোচনা, তথ্য গোপন ও আলামত ধ্বংসের চেষ্টা (ধারা ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৪, ২.৪.৭)
২. জাকির হোসেন : ফিক্সিং চক্রান্তে সাহায্য ও তদন্তে সহযোগিতায় অস্বীকৃতি (ধারা ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৬)
৩. রাকিবুল ইসলাম সানি : ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করা ও তদন্তে অসহযোগিতা (ধারা ২.৪.৪, ২.৪.৬)


আইসিসির ধারা লঙ্ঘন ও শাস্তিমূলক অবস্থান


আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার আওতায় অভিযুক্ত এই তিন ব্যক্তিকেই ক্রিকেটের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বিসিবি।

অভিযুক্ত কর্মকর্তাপদবিলঙ্ঘিত ধারা ও কারণ
মুহাম্মদ মুখলেসুর রহমান শামীমসাবেক বিসিবি পরিচালক ও অডিট কমিটি প্রধানম্যাচ প্রভাবিত করার চেষ্টা, অন্যকে উৎসাহিত করা এবং তদন্তের প্রমান মুছে ফেলা।
জাকির হোসেনসাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসারসরাসরি ফিক্সিংয়ে প্ররোচনা দেওয়া এবং আইসিসির জবাব তলবের নোটিশ অমান্য করা।
রাকিবুল ইসলাম সানিসাবেক বিসিবি কাউন্সিলরফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পরও তা গোপন রাখা এবং তদন্তে অস্বীকৃতি প্রকাশ করা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার আওতায় চলমান এই শৃঙ্খলাজনিত প্রক্রিয়ায় নিজেদের নির্দোষ প্রমাণের জন্য অভিযুক্তদের ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।