১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ১১:২৫:১৮ অপরাহ্ন


‘আমরা প্রেমে ছিলাম কি না, কেউ জানতে চায়নি’—সাকলায়েন প্রসঙ্গে পরীমনি
বিনোদন ডেস্ক | ট্র্যান্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৬-২০ ১৭:৫৭:৪৬
‘আমরা প্রেমে ছিলাম কি না, কেউ জানতে চায়নি’—সাকলায়েন প্রসঙ্গে পরীমনি পরীমনি I ছবি: সংগৃহীত


ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়, যেখানে বলা হয়েছে যে, একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে নৈতিকতাবহির্ভূত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়ানোর কারণে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে এবং সেই ভিত্তিতেই তাঁকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর সাবেক এই ডিবি কর্মকর্তাকে ঘিরে চিত্রনায়িকা পরীমনির অতীতে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকার নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে, যেখানে তিনি দাবি করেছিলেন যে সাকলায়েন মূলত কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়েছেন।

সাকলায়েনের চাকরি হারানোর বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে পরীমনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, এই বিষয়টি নিয়ে তিনি বা সাকলায়েন নিজে বলার আগেই সাধারণ মানুষ ও প্রশাসন কথা বলছে। বিষয়টি তখনো ব্যক্তিগত পর্যায়ে আসেনি এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে এলে তিনি এ নিয়ে বিস্তারিত কথা বলবেন। সাকলায়েনের বিরুদ্ধে ওঠা অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, সম্পর্কের বিষয়টি কখনোই শুধু একজনের ব্যাপার নয়, এটি দুই পক্ষের সম্মতিতেই আসে। মানুষের কাছে তাঁদের সম্পর্কটি এখনো মোটেও পরিষ্কার নয় উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, তাঁরা আসলে প্রেমে ছিলেন নাকি অন্য কিছু করছিলেন, তা তো সাকলায়েনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, না তাঁর নিজের কাছে। বরং সবখানে কেবল মনগড়া জিনিসপত্র লিখে খবর প্রকাশ করা হয়েছে। সম্পর্কের সংজ্ঞা নির্ধারণ করার আগেই সমাজ ও জনগণ তাঁদের ওপর এত অপবাদ চাপিয়ে দিয়েছে যে, এখন আর এই সম্পর্ক নিয়ে কথা বলার কোনো জায়গাও অবশিষ্ট নেই এবং এর কোনো প্রয়োজনও তিনি দেখছেন না।

পরীমনি দৃঢ়তার সঙ্গে দাবি করেন যে, প্রেম-ভালোবাসা বা অনৈতিক সম্পর্কের যে অজুহাতটি দাঁড় করানো হয়েছে, তা কেবল একটি অদ্ভুত বাহানা মাত্র। তিনি বিশ্বাস করেন না যে সাকলায়েনের চাকরি খোয়ানোর পেছনে এই সম্পর্কের কোনো ভূমিকা রয়েছে; বরং সাকলায়েন অন্য কোথাও কারোর ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়েছেন। সেই আক্রোশটি কার—তা নিশ্চিত করে বলতে না পারলেও সাকলায়েনকে একজন অত্যন্ত মেধাবী, ট্যালেন্ট ও সফল কর্মকর্তা হিসেবে আখ্যায়িত করেন পরীমনি। তাঁর সফলতার কারণে পেছনে হয়তো অনেকেই লেগেছিল এবং সাকলায়েনের মতো একজন মানুষের এভাবে বরখাস্ত হওয়ার ব্যাপারটা খুবই অদ্ভুত এবং তাঁর প্রতি নিঃসন্দেহে গভীর অন্যায় করা হয়েছে বলেও আক্ষেপ প্রকাশ করেন পরীমনি।