১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ১১:২৬:২৪ অপরাহ্ন


বিশ্বকবির ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী: শিলাইদহ, শাহজাদপুর ও পতিসরে সাজ সাজ রব
অনলাইন ডেস্ক | ট্র্যান্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৫-০৭ ১৯:১৭:০২
বিশ্বকবির ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী: শিলাইদহ, শাহজাদপুর ও পতিসরে সাজ সাজ রব বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


বাঙালির প্রাণের মানুষ, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ ও নওগাঁর রবীন্দ্র স্মৃতিবিজড়িত অঞ্চলগুলো। কবিগুরুর জন্মজয়ন্তীকে ঘিরে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে তিনদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। শিলাইদহের কুঠিবাড়ি, শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি এবং পতিসরের দেবেন্দ্র মঞ্চে এখন উৎসবের আমেজ।

অনুষ্ঠানমালার বিস্তারিত প্রস্তুতি নিচে তুলে ধরা হলো:

কুষ্টিয়ার শিলাইদহে জাতীয় পর্যায়ের মূল আয়োজন এ বছর রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীর জাতীয় পর্যায়ের প্রধান অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়িতে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর পুরো এলাকাটিকে নতুন আঙ্গিকে সাজিয়েছে। বৈশাখী ঝড়-বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে এবার তৈরি করা হয়েছে বিশেষ ‘ওয়াটার প্রুফ’ প্যান্ডেল। দর্শনার্থীদের জন্য সুপেয় পানিসহ প্রয়োজনীয় সব নাগরিক সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

শাহজাদপুর কাছারিবাড়িতে রবীন্দ্র ভক্তদের মিলনমেলা সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের কাছারিবাড়িতে শুক্রবার থেকেই শুরু হচ্ছে মূল উৎসব। দেশি-বিদেশি রবীন্দ্র অনুরাগীদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত স্থানীয় প্রশাসন। আয়োজনের মূল আকর্ষণ হিসেবে থাকছে রবীন্দ্র সংগীত, নৃত্যনাট্য ও আলোচনা সভা। স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মীরা শেষ মুহূর্তের মহড়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।


নওগাঁর পতিসরে দেবেন্দ্র মঞ্চের প্রস্তুতি নওগাঁর পতিসরের কুঠিবাড়িতেও নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে দেবেন্দ্র মঞ্চ নতুন করে সাজানো হয়েছে। গ্রামবাংলার চিরায়ত রূপের সাথে মিল রেখে এখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

তিনদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রখ্যাত শিল্পীদের অংশগ্রহণে তিনদিন ধরেই চলবে রবীন্দ্র সংগীতের সুরের মূর্ছনা। এছাড়া রবীন্দ্র সাহিত্যে বর্তমান সময়ের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে সেমিনার এবং গ্রামীণ লোকজ সংস্কৃতির প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের বাড়তি আনন্দ দেবে।