১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৯:২১:১১ অপরাহ্ন


বেগম খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৩-০৫ ১৭:০৯:১৫
বেগম খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার ছবি: সংগৃহীত


সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে এ বছর দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’-এ ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র রক্ষা এবং নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই অনন্য সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে বেগম জিয়াসহ মোট ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এই তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেন।

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। এবারের তালিকায় বেগম খালেদা জিয়ার পাশাপাশি আরও ১৯টি ক্ষেত্রে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে তাঁদের অসামান্য কাজের জন্য মূল্যায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহরুল করিম এবং চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকে (ঢামেক) এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।

সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও রয়েছে বিশিষ্টজনদের নাম। সাহিত্যে মরণোত্তর পুরস্কার পাচ্ছেন ড. আশরাফ সিদ্দিকী। সংস্কৃতিতে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) এবং মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন বশির আহমেদ। ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন জোবেরা রহমান লিনু। এছাড়া পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আব্দুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) এই সর্বোচ্চ সম্মাননা পাচ্ছেন।

সমাজসেবা ও জনসেবায় এবার বেশ কয়েকজনকে মনোনীত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছেন মরণোত্তর ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও মাহেরীন চৌধুরী। এছাড়া মোঃ সাইদুল হক এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। জনপ্রশাসনে মরণোত্তর কাজী ফজলুর রহমান এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়াকে মনোনীত করেছে সরকার। প্রতিবছরের মতো এবারও রাষ্ট্রীয় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এই পুরস্কার তুলে দেবেন।