১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৭:২৫:০৩ অপরাহ্ন


ট্রাফিক আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানা
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৫-০৩ ১৮:২৪:০৮
ট্রাফিক আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানা ছবি: সংগৃহীত


রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতার ছোঁয়া দিয়ে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা ও নোটিশ পাঠানো শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার (৩ মে) ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এখন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তিসম্পন্ন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও স্থিরচিত্রের ভিত্তিতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের ঠিকানায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যানজট নিরসন এবং উন্নত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং উল্টো পথে চলাচলের মতো অপরাধগুলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে শনাক্ত করা হচ্ছে। ডিএমপির ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে এই 'অটো জেনারেটেড' নোটিশগুলো সরাসরি মালিক ও চালকের ঠিকানায় রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নোটিশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের ডিএমপি সদর দপ্তর বা ট্রাফিক বিভাগে হাজির হয়ে ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধ করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

তবে কেউ যদি এই নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ না করেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ডিএমপি হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সিগন্যালে লাল বাতি অমান্য করা, স্টপ লাইন অতিক্রম করা কিংবা লেফট লেন ব্লক করার মতো অপরাধগুলো শনাক্ত করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংয়ে উন্নত প্রযুক্তির ক্যামেরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক করে ডিএমপি জানিয়েছে, এই ডিজিটাল প্রসিকিউশন প্রক্রিয়ার বাইরে সিসি ক্যামেরার মামলার দোহাই দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা চক্র যদি অর্থ দাবি করে, তবে তাতে সাড় দেওয়া যাবে না। সিসি ক্যামেরার মামলার জরিমানা পরিশোধের জন্য কোনো ব্যক্তিগত আর্থিক লেনদেন বা তথ্য আদান-প্রদান থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের কোনো প্রতারণার চেষ্টা চললে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা বা ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।