১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ১০:৪৯:৩৭ অপরাহ্ন


প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি, সাক্ষাতের আশা প্রকাশ!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ট্রেন্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৯-০১ ১৮:৪৬:০৪
প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি, সাক্ষাতের আশা প্রকাশ! ছবি: সংগৃহীত


তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশাবাদ; বোয়িং কেনার সিদ্ধান্তে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ধন্যবাদ

      খুব শিগগিরই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের তীব্র ইচ্ছা ও আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক বিশেষ চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন চিঠি প্রাপ্তির তথ্য সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

চিঠির মূল বক্তব্য ও কূটনৈতিক গুরুত্ব

মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

  • উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রত্যাশা: চিঠিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে গেলেও তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও এ দেশের জনগণের একটি অত্যন্ত উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।

  • আন্তরিক শুভেচ্ছা: চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর গভীর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা পৌঁছে দেন।

  • শীঘ্র সাক্ষাতের ইচ্ছা: দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিগগিরই মুখোমুখি বৈঠকের প্রত্যাশা জানান রাষ্ট্রপ্রধান ট্রাম্প।

বোয়িং উড়োজাহাজ কেনা সংক্রান্ত মন্তব্য

যুক্তরাষ্ট্রের বিমান প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘বোয়িং’ (Boeing) থেকে উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বিষয়চিঠির মূল অংশ ও আশ্বাসের বিবরণ
আশ্বাসের বার্তাট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করে বলেন, “বোয়িং বাংলাদেশকে কখনোই হতাশ করবে না।”
ব্যক্তিগত মনোযোগবিমান ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত মনোযোগ ও সময়োচিত সিদ্ধান্তের বিষয়টি তিনি সবসময় মনে রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই চিঠিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।