১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৮:৩২:৩৪ অপরাহ্ন


ভেজালবিরোধী অভিযান ও পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে ৩ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
অনলাইন ডেস্ক | ট্র্যান্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৭-০৬ ২০:০১:২০
ভেজালবিরোধী অভিযান ও পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে ৩ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের


নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলোর দ্রুত সমাধান এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী দ্রুত সমাধানযোগ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গঠিত এই উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের কমিটিতে স্থান পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি।

오늘 সোমবার (০৬ জুলাই ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি কর্পোরেশনসহ মাঠপর্যায়ে ভেজালবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব নির্দেশনা প্রদান করেন। উক্ত সভায় উপস্থিত ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার বিষয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। বিশেষ করে জেলা পর্যায়ে জনবল বৃদ্ধি, উন্নতমানের পরীক্ষাগার স্থাপন, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনায় আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ এবং বিভিন্ন সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার সময় নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয় উল্লেখ করে তাঁরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের ক্ষমতা বৃদ্ধিরও দাবি জানান।

প্রধানমন্ত্রী তাঁদের উত্থাপিত সমস্যাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়ে এই তিন সদস্যবিশিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। সভায় প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সকলের উদ্দেশে বলেন, “সমস্যা থাকবেই। তারপরও সেই সমস্যার মধ্য দিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। বসে থাকলে চলবে না। পৃথিবীর অনেক দেশ একসময় আমাদের চেয়েও অনুন্নত ছিল, অথচ আজ তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদেরও এগিয়ে যেতে হবে। সবাই একসঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করলে সেটি অবশ্যই সম্ভব। দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে।” একই সাথে জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী গুলশান লেকের ব্যবস্থাপনার উদাহরণ দিয়ে বলেন, “আমাদের অনেক লেকই আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এসব আবর্জনা সমাজের শিক্ষিত মানুষরাই ফেলছেন। যাঁদের সচেতন হওয়ার কথা, অনেক সময় তাঁরাই সচেতন হন না। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে শুধু সরকারের উদ্যোগ নয়, নাগরিকদেরও সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন। সবাইকে সচেতন হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।” উক্ত সভায় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।