১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৭:২৫:২৪ অপরাহ্ন


হাদি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রের বিক্রেতা গ্রেপ্তার: বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য
অনলাইন ডেস্ক | ট্র্যান্ডনিউজবিডি | কুবলাই
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৪-১৫ ১৮:১৬:৫৬
হাদি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রের বিক্রেতা গ্রেপ্তার: বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রের বিক্রেতা মো. মাজেদুল হক হেলালকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। চট্টগ্রামের এই অস্ত্র ব্যবসায়ীর কাছ থেকেই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তলটি ঘাতকদের হাতে পৌঁছেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে সিআইডি।

যেভাবে অস্ত্রটি ঘাতকদের হাতে পৌঁছাল

সিআইডির তদন্তে পিস্তলটি হাতবদলের একটি দীর্ঘ পরিক্রমা বেরিয়ে এসেছে। ফরেনসিক ও মাইক্রো অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে উদ্ধারকৃত পিস্তলের সিরিয়াল নম্বর উদ্ধার করার পর জানা যায়:

  • আমদানি: পিস্তলটি বাংলাদেশে আমদানি করে ঢাকার ‘এম আইচ আর্মস কোং’।

  • প্রথম বিক্রয়: ২০১৭ সালের ৩ ডিসেম্বর চকবাজারের ‘ইসলাম উদ্দিন আহমেদ অ্যান্ড সন্স’ এটি কিনে নেয়।

  • চট্টগ্রামে স্থানান্তর: ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রামের ‘হামিদুল হক আর্মস অ্যান্ড কোং’-এর কাছে অস্ত্রটি বিক্রি করে।

  • অবৈধ কারবার: হামিদুল হক আর্মস অ্যান্ড কোং-এর মালিক গ্রেপ্তারকৃত মাজেদুল হক হেলাল। তদন্তে দেখা গেছে, তাঁর দোকানের লাইসেন্স ২০১৪ সালের পর আর নবায়ন করা হয়নি। অবৈধভাবেই তিনি এই অস্ত্রটি কিনেছিলেন এবং পরবর্তীতে ঘাতকদের হাতে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

ফরেনসিক রিপোর্টে নিশ্চিত অস্ত্র

নরসিংদী এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া এই পিস্তলটিই যে হাদি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে, তা ফরেনসিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে। ঘটনাস্থলে পাওয়া বুলেটের খোসা এবং উদ্ধারকৃত পিস্তল থেকে ছোড়া গুলির মধ্যে হুবহু মিল পাওয়া গেছে।

রিমান্ডের আবেদন

আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে এই রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জানান, লাইসেন্সবিহীন এই অস্ত্রটি হেলাল কার কাছে এবং কীভাবে বিক্রি করেছিলেন, তা জানতে সাত দিনের রিমান্ড জরুরি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা এই আবেদন করেন।