১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৯:২৮:৫৪ অপরাহ্ন


ট্রাম্পের ভাষণের পরপরই ইসরায়েলে ইরানের মিসাইল হামলা: সামরিক সক্ষমতা নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ট্র্যান্ডনিউজবিডি | সোহেল জুলফিকার
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৪-০২ ১৮:৫৩:১৭
ট্রাম্পের ভাষণের পরপরই ইসরায়েলে ইরানের মিসাইল হামলা: সামরিক সক্ষমতা নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার রাতে হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দাবি করেছিলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা "প্রায় পুরোপুরি চূর্ণ" হয়ে গেছে। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্যের রেশ না কাটতেই ইরান ইসরায়েলে নজিরবিহীন মিসাইল হামলা চালিয়েছে। ট্রাম্পের দাবিকে কার্যত ভুল প্রমাণ করে ইরান তার সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করল।

ভাষণ ও হামলার টাইমলাইন ট্রাম্প তার বক্তব্যে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঘোষণা করেছিলেন যে, ইরানের হামলার সক্ষমতা নেই। কিন্তু ভাষণ শেষ হওয়ার পরপরই ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী টেলিগ্রামে নিশ্চিত করে যে, তারা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে। ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলজুড়ে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে এবং দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defense System) সক্রিয় করা হয়।

ইরানের পাল্টা চ্যালেঞ্জ বিশ্লেষকদের মতে, এটি ইরানের সুপরিকল্পিত একটি পদক্ষেপ। ট্রাম্পের ভাষণের ঠিক পরপরই এই হামলা চালিয়ে ইরান বিশ্বকে দেখাতে চেয়েছ যে:

  • তাদের ক্ষেপণাস্ত্রভাণ্ডার অটুট আছে।

  • মার্কিন গোয়েন্দা বা রাজনৈতিক অনুমান তাদের সামরিক সক্ষমতা সঠিকভাবে নির্ণয় করতে ব্যর্থ হয়েছে।

  • ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর মতো সক্ষমতা এখনো তাদের রয়েছে।

আঞ্চলিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তাহীনতা এই হামলার পর ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, রাতের আকাশে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আলোর ঝলকানি। মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইরানের সক্ষমতা নিয়ে যে ভুল হিসাব করছে, তা এই হামলার পর নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইরান ইতোমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যতক্ষণ না চূড়ান্ত আত্মসমর্পণ ঘটছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের আক্রমণাত্মক নীতি বজায় রাখবে।

এই ঘটনায় হোয়াইট হাউসের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে এবং ইসরায়েল কীভাবে এর জবাব দেবে, তার ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির মোড়।