১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৬:৪৯:২০ অপরাহ্ন


বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রচারণা শুরু
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৩-১৬ ২১:১১:৫৬
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রচারণা শুরু ছবি: সংগৃহীত


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন ঘিরে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। প্রতীক বরাদ্দের পর সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। আগামী ৯ এপ্রিল এই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রচারণার শুরুতে সোমবার সকাল ১০টায় শহরের সাতমাথায় এক বিশেষ দোয়ার আয়োজন করে বিএনপি। সেখানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোসহ জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনা করা হয়। দোয়া শেষে জেলা বিএনপির সভাপতি ও দলীয় প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ শুরু করেন। এ সময় তার সঙ্গে দলটির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

প্রচারণা শুরুর প্রাক্কালে রেজাউল করিম বাদশা বলেন, বগুড়া-৬ আসনটি মূলত জিয়া পরিবারের। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখান থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন এবং তিনি বগুড়ার উন্নয়ন নিয়ে স্বপ্ন দেখেন। তার প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হওয়ায় বগুড়াবাসী উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে তাকে আবারও বিপুল ভোটে জয়ী করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও শহর জামায়াতের আমির আবিদুর রহমান সোহেল শহরের সেউজগাড়ী কাইলার বাজার এলাকায় মোনাজাতের মাধ্যমে তার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগকালে তিনি বলেন, বগুড়ার মানুষ এবার সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচনে ভুল করবে না। তিনি ভোটারদের সকাল সকাল কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি নির্বাচনে যেকোনো ধরনের কারচুপি ঠেকাতে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা চার লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। আগামী ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। রিটার্নিং অফিসার ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিম জানিয়েছেন, একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।