১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৭:২৪:০৯ অপরাহ্ন


বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বৃষ্টির আশংকা
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৩-১৫ ১৩:৩৭:৩২
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বৃষ্টির আশংকা ছবি: সংগৃহীত


মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ এক মহাযুদ্ধের অপেক্ষা। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণ হবে আজকের এই তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে। প্রথম দুই ম্যাচ শেষে সিরিজে ১-১ সমতা থাকায় আজকের ম্যাচটি পরিণত হয়েছে একটি 'অলিখিত ফাইনালে'। দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে শুরু হতে যাওয়া এই ম্যাচে যে দল জয়লাভ করবে, সিরিজ জয়ের ট্রফি শেষ পর্যন্ত তাদের শোকেসেই উঠবে।

তবে মাঠের ক্রিকেটীয় লড়াইয়ের পাশাপাশি আজ বড় এক প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড়িয়েছে বৈরী আবহাওয়া। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় বজ্রসহ প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। আবহাওয়া বিষয়ক বৈশ্বিক ওয়েবসাইট আকুওয়েদারের তথ্যমতে, আজ ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা ৫৫ শতাংশ এবং বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা প্রায় ৫২ শতাংশের মতো।

স্বস্তির খবর হচ্ছে, দুপুর ২টায় অর্থাৎ ম্যাচ শুরুর সময়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা মাত্র ১৪ শতাংশ। এর অর্থ হলো, খেলাটি সময়মতো শুরু হওয়া নিয়ে আপাতত বড় কোনো শঙ্কার কারণ নেই। তবে বেলা গড়ানোর সাথে সাথে বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা প্রবল। বিকেল ৪টার দিকে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেড়ে ৪৩ শতাংশ হতে পারে এবং সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ তা ৫১ শতাংশে গিয়ে ঠেকতে পারে। যদিও আশার কথা হলো, সন্ধ্যার পর বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমে আসতে পারে, যা বিঘ্ন ঘটলেও ম্যাচটি শেষ করার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক সুযোগ তৈরি করবে।

উল্লেখ্য যে, সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও বৃষ্টির বড় ভূমিকা ছিল। সেদিন পাকিস্তান আগে ব্যাট করে ২৭৪ রান সংগ্রহ করার পর বাংলাদেশ যখন জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামে, ঠিক ৬.৩ ওভার পরই বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। দীর্ঘ বিরতির পর ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে বাংলাদেশের সামনে ৩২ ওভারে ২৪৩ রানের এক কঠিন লক্ষ্য দাঁড়ায়, যা তাড়া করতে গিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই গুটিয়ে যায় টাইগাররা। আজকের অলিখিত ফাইনালে তাই দুই দলেরই মূল লক্ষ্য থাকবে আবহাওয়ার চ্যালেঞ্জ জয় করে মাঠের পারফরম্যান্সে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করা এবং সিরিজের শিরোপা নিজেদের করে নেওয়া।