১২ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ০২:৩৩:২৯ পূর্বাহ্ন


শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে তফসিল ঘোষণা
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০২-২৪ ১৭:০১:০৫
শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে তফসিল ঘোষণা


দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বহুল আলোচিত শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান যে, আগামী ৯ এপ্রিল শেরপুর-৩ আসনে স্থগিত হওয়া সাধারণ নির্বাচন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ আসনে উপ-নির্বাচন একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে।

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে সচিব জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনে একজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর আকস্মিক মৃত্যু হওয়ার কারণে আইনি প্রক্রিয়ায় সেখানে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছিল। এখন সেই আইনি বাধ্যবাধকতা মেনেই সেখানে সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সচিব একটি বিষয় বিশেষভাবে পরিষ্কার করেছেন যে, শেরপুর-৩ আসনে কোনো ধরনের গণভোট অনুষ্ঠিত হবে না, বরং সরাসরি ব্যালটের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে, বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একাধিক আসনে জয়লাভ করায় সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী অন্য আসনগুলো রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দিয়েছেন। ফলে নিয়ম অনুযায়ী আসনটি শূন্য ঘোষিত হওয়ায় সেখানে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। কমিশন এখন এই দুটি আসনের জন্য সমন্বিতভাবে তফসিল ঘোষণা করেছে যাতে একই দিনে সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করা যায়।

সংবাদ সম্মেলনে সচিব আরও জানান যে, ৯ এপ্রিল সকাল থেকেই নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কমিশন ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ শুরু করেছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ এবং যাচাই-বাছাইয়ের সময়সূচী সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রজ্ঞাপন খুব দ্রুতই নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট ও সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসনের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন সম্পন্ন হবে, যা সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে কমিশন আশা প্রকাশ করছে।