১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ১১:০০:৪৫ অপরাহ্ন


হটাৎ স্নিগ্ধা চৌধুরীর আয়ের উৎস অনুসন্ধানে দুদকে আবেদন!
বিনোদন ডেস্ক | ট্রেন্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৮-১১ ১৫:৪২:৪৫
হটাৎ স্নিগ্ধা চৌধুরীর আয়ের উৎস অনুসন্ধানে দুদকে আবেদন! ছবি: সংগৃহীত


‘দৃশ্যমান আয় ছাড়া বিলাসী জীবনযাপন’; অভিযুক্ত অভিনেত্রীর সম্পদের অনুসন্ধানে আবেদন জমা

       মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরীর অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং অতি-বিলাসবহুল জীবনযাত্রার পেছনে অনৈতিক আয়ের উৎস রয়েছে—এমন অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

গত রোববার (৯ আগস্ট) দুদক চেয়ারম্যান বরাবর এই অভিযোগপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেন রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা মইনুদ্দিন আহমদ। আবেদনে স্নিগ্ধা চৌধুরীর অসাধু উপায়ে অর্জিত বিপুল সম্পদের বিস্তারিত অনুসন্ধান চালিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানানো হয়।

অভিযোগের মূল বক্তব্য ও আয়-ব্যয়ের অসঙ্গতি


দুদকের প্রাপ্তি শাখায় গৃহীত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দৃশ্যমান বড় কোনো আয়ের উৎস না থাকলেও স্নিগ্ধা চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত বিলাসবহুল জীবন যাপন করে আসছেন।

  • চলচ্চিত্রে কাজের পরিমাণ: অভিনেত্রী হিসেবে তিনি এ পর্যন্ত মাত্র দুটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন—‘রাস্তা’ এবং ‘প্রেশার কুকার’।

  • নিজস্ব অর্থ বিনিয়োগ: অভিযোগ অনুসারে, এর মধ্যে ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমাটিতে তাঁর নিজেরই মোটা অঙ্কের ব্যক্তিগত বিনিয়োগ রয়েছে, যা তাঁর আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।

বিতর্কিত ভিডিও বার্তা ও সামাজিক ক্ষোভ


অভিযোগপত্রে স্নিগ্ধা চৌধুরীর সাম্প্রতিক একটি বহুল চর্চিত ও বিতর্কিত ভিডিও বার্তার বিষয়টিও কমিশনের নজরে আনা হয়েছে।

স্নিগ্ধা চৌধুরীর বিরুদ্ধে আনা প্রধান অভিযোগসমূহবিবরণ
আয়ের উৎসদৃশ্যমান সিনেমা বা পেশাগত কাজ ছাড়া বিপুল সম্পদের মালিকানা
অভিযোগকারীমইনুদ্দিন আহমদ (বাসিন্দা, মিরপুর, ঢাকা)
আবেদনের স্থান ও তারিখদুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), ৯ আগস্ট ২০২৬
বিতর্কিত মন্তব্যএলাকাভিত্তিক গাড়ি চলাচল, সার্বক্ষণিক দেহরক্ষী ও সামাজিক অবক্ষয়মূলক বার্তা
উক্ত ভিডিওতে তিনি মিরপুরের মতো ব্যস্ত এলাকায় তাঁর দামি ও বিলাসবহুল গাড়ি চলাচলের উপযোগী নয় বলে মন্তব্য করেন। এছাড়া সর্বদা ব্যক্তিগত দেহরক্ষী (বডিগার্ড) বেষ্টিত থাকা এবং তাঁর প্রভাবশালী সঙ্গী (বয়ফ্রেন্ড) দেশের প্রশাসনিক শাসনব্যবস্থাকে তোয়াক্কা করেন না—এমন উসকানিমূলক বক্তব্য দেন।

এসব কর্মকাণ্ড সামাজিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় ঘটাচ্ছে উল্লেখ করে দুদককে অনতিবিলম্বে তাঁর আয়ের উৎসের সন্ধান চালুর দাবি জানান আবেদনকারী।