১২ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ১২:৫৯:৩৯ পূর্বাহ্ন


জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় ও রাজনৈতিক প্রতিবেদক | ট্রেন্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৮-০৪ ২০:২৪:১৫
জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান I ছবি: সংগৃহীত


‘কোনো একক ব্যক্তি বা দলের ক্রেডিট নয়, ১৭ বছর রাজপথে ছিল গণতন্ত্রকামী মানুষ’; কেআইবি’র আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান


      চব্বিশের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে সংঘটিত আন্দোলন কোনো একক ব্যক্তি বা দলের সফলতা নয়, বরং এটি সম্পূর্ণভাবে এ দেশের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত গণআন্দোলন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জনগণ পরিবর্তনের জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছিল বলেই এই আন্দোলন চূড়ান্ত সফলতা পেয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।


আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (কেআইবি)-এর মিলনায়তনে আয়োজিত ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনির্বাণ সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।


‘আমরা কখনো জনগণকে একা ফেলে রাজপথ ছাড়িনি’


জুলাই অভ্যুত্থানের সার্বিক ক্রেডিট এ দেশের আপামর জনতার—এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “আমরা আমাদের অবস্থান থেকে পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছি এই জুলাই আন্দোলনের সফলতার ক্রেডিট এই দেশের সর্বস্তরের জনগণের। এর কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তি বা একক কোনো রাজনৈতিক দলের নয়। বিগত ১৭ বছর ধরে এই দেশের মানুষ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের লাখ লাখ নেতাকর্মী এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাসী অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো সবাই ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে ছিল। আমরা কখনো জনগণকে একা ফেলে মাঠ ছেড়ে চলে যাইনি।”


তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জনগণ যখন সর্বাত্মকভাবে সম্পৃক্ত হয়েছে, তখনই স্বৈরাচারের পতন নিশ্চিত হয়েছে।


তর্ক-বিতর্ক ছেড়ে দেশ পুনর্গঠনে ঐক্যের আহ্বান


দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ধৈর্য ধরা এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।


  • ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ দৃষ্টি: রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্কের সময় শেষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন মূল কাজ হলো ঠান্ডা মাথায় রাষ্ট্র পুনর্গঠন করা এবং যারা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে তাদের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখা।


  • প্রত্যাশা পূরণ ও রূপরেখা বাস্তবায়ন: সরকার জনগণের সামনে যেসব পরিকল্পনা ও সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করে মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাগুলো পূরণ করা হবে।


বিষয়ের সারসংক্ষেপমূল বক্তব্য ও দিকনির্দেশনা
আন্দোলনের কৃতিত্বকোনো একক দল বা ব্যক্তির নয়; সাধারণ জনগণ ও রাজপথের সকল গণতন্ত্রকামী শক্তির
রাজনৈতিক ভূমিকা১৭ বছর ধরে ধারাবাহিক আন্দোলন ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে থাকা
বর্তমান অগ্রাধিকারতর্ক-বিতর্ক বন্ধ করা, দেশ পুনর্গঠন এবং ষড়যন্ত্র মোকাবিলার মাধ্যমে জনপ্রত্যাশা পূরণ

আলোচনা সভায় জাতীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বীর জুলাই যোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য, বুদ্ধিজীবী এবং কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।