১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ১০:৩৩:১৭ অপরাহ্ন


বিশ্বকাপ জিতে নিজ শহরের বিশেষ উপহার পেলেন গাভি ও রুইজ
ক্রীড়া প্রতিবেদক | ট্রেন্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৭-২২ ১৮:৫৪:১৫
বিশ্বকাপ জিতে নিজ শহরের বিশেষ উপহার পেলেন গাভি ও রুইজ মিডফিল্ডার গাভি এবং ফাবিয়ান রুইজ I ছবি: সংগৃহীত


দুই বিশ্বজয়ী তারকাকে ওজনের সমান ৬৮.৫ কেজি ও ৮৪.৫ কেজি ঐতিহ্যবাহী টমেটো উপহার দিল লস পালাসিওস শহরের বাসিন্দারা; স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত

ঢাকা: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ জয়ের ঐতিহাসিক গৌরব অর্জনের পর স্বদেশে ফিরে ভক্ত-সমর্থকদের উন্মাদের মতো ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছে স্পেন জাতীয় ফুটবল দল। রাজধানী মাদ্রিদে বর্ণাঢ্য ছাদখোলা বাসে বিশাল ছাদখোলা সংবর্ধনা শেষে স্প্যানিশ বীরেরা যার যার নিজ শহরের অভিমুখে রওয়ানা হন। সেখানেই স্পেন জাতীয় ফুটবল দলের দুই মূল স্তম্ভ ও তারকা মিডফিল্ডার গাভি এবং ফাবিয়ান রুইজ নিজ জন্মশহরে ফিরে পেয়েছেন অত্যন্ত মিষ্টি ও অভিনব এক আঞ্চলিক সম্মাননা। তাঁদের শারীরিক ওজনের সমান ওজনের খাঁটি টমেটো উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়েছে এই দুজনের হাতে!

আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম ‘ইএসপিএন এফসি’ (ESPN FC)-র বিশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২১ জুলাই স্পেনের ঐতিহ্যবাহী আন্দালুসিয়া অঞ্চলের ছোট শহর ‘লস পালাসিওস ই ভিলাফ্রাঙ্কা’য় এই দুই বিশ্বজয়ী তারকাকে রাজকীয় ও বীরোচিত সংবর্ধনা দেওয়া হয়। জাঁকজমকপূর্ণ এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বার্সেলোনার কনিষ্ঠ মিডফিল্ডার গাভিকে তাঁর শরীরের ওজন অনুযায়ী ঠিক ৬৮.৫ কেজি টমেটো উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়। অন্যদিকে, পিএসজির (PSG) অন্যতম তারকা মিডফিল্ডার ফাবিয়ান রুইজকে তাঁর শারীরিক ওজনের সমান ৮৪.৫ কেজি টমেটো উপহার তুলে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, স্পেনের আন্দালুসিয়া অঞ্চলের এই লস পালাসিওস শহরটি মিষ্টি, রসালো ও উন্নত মানের বিশেষ এক জাতের টমেটো উৎপাদনের জন্য পুরো ইউরোপজুড়ে বিখ্যাত। এই অঞ্চলের বহু পুরোনো ঐতিহ্য অনুযায়ী স্থানীয় কোনো সন্তান বা নাগরিক বৈশ্বিক কোনো ক্রীড়াঙ্গনে অভূতপূর্ব ও অসামান্য সাফল্য অর্জন করলে তাঁকে এই ‘বম্বন কলোরাডো’ নামের বিখ্যাত টমেটো ওজনের সমপরিমাণ উপহার দিয়ে বিরল সম্মানে ভূষিত করা হয়।

বিশ্বকাপজয়ী এই দুই কৃতি সন্তানের অসামান্য অর্জনকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে শহরের দুটি প্রধান নগর ফুটবল স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করে তাঁদের নামে করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এ ছাড়া এই একই অঞ্চলের ফুটবল কিংবদন্তি হেসুস নাভাসের সম্মানে একটি স্থায়ী ও আকর্ষণীয় ভাস্কর্য/স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনাও প্রকাশ্যে এনেছে নগর কর্তৃপক্ষ। বিশ্বজয়ের ট্রফি স্পর্শের পর নিজ জন্মমাটিতে এই অভিনব উষ্ণ ভালোবাসা পেয়ে উচ্ছ্বসিত ও আবেগপ্লুত হয়ে পড়েন গাভি ও ফাবিয়ান রুইজ।