১২ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ০৪:০৮:৪০ পূর্বাহ্ন


বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও পাপেটরাজ মুস্তাফা মনোয়ারের প্রয়াণে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বিশেষ প্রতিবেদক | ট্র্যান্ডনিউজবিডি | সোহেল জুলফিকার
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৬-২৯ ১৫:১৮:২৯
বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও পাপেটরাজ মুস্তাফা মনোয়ারের প্রয়াণে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফাইল ছবি


একুশে পদকপ্রাপ্ত দেশের বরেণ্য চিত্রশিল্পী, পাপেটশিল্পের পুরোধা এবং বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের প্রয়াণে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার (২৯ জুন) দেওয়া এক শোকবার্তায় সরকারপ্রধান মরহুমের বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় অত্যন্ত আবেগঘন কণ্ঠে উল্লেখ করেন, মুস্তাফা মনোয়ারের চলে যাওয়া দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি অঙ্গনে এক বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি করেছে, যা সহজে পূরণ করা সম্ভব নয়।

শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে মুস্তাফা মনোয়ারের অবদান ছিল অনন্য। এই কৃতী সন্তানের সৃষ্টিশীল কাজ ও মহান আদর্শ আগামী প্রজন্মকে সর্বদা অনুপ্রাণিত করবে এবং বাঙালি জাতি তাঁর এই অসামান্য অবদানকে চিরকাল গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ফুসফুসের নানা জটিলতা ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে আজ সোমবার সকালে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব। প্রয়াণকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

দীর্ঘ বর্ণাঢ্য জীবনে চিত্রকলা, পাপেটশিল্প, টেলিভিশন ও শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণসহ সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় অসামান্য অবদান রেখে এ দেশের মানুষের হৃদয়ে অন্যতম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্থান করে নিয়েছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত করে। ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করা এই গুণী শিল্পীর পৈতৃক নিবাস ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।