১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ১০:০৫:৩৩ অপরাহ্ন


শেষ ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৪-২৩ ১৯:২৬:৪০
শেষ ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ ছবি: সংগৃহীত


ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী অঘোষিত ফাইনালে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সফরকারী কিউইদের ৫৫ রানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ নিশ্চিত করল টাইগাররা। ২৬৬ রানের লড়াকু লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে ২১০ রানেই থমকে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস।

এই জয়ের মূল নায়ক ছিলেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। একাই ৫ উইকেট শিকার করে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন তিনি। ইনিংসের শুরুতেই ওপেনার হেনরি নিকোলসকে ফিরিয়ে যে তাণ্ডব শুরু করেছিলেন, তা শেষ হয় কিউইদের লোয়ার অর্ডার গুঁড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। মোস্তাফিজের পাশাপাশি সমানতালে আক্রমণ চালিয়েছেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও গতিদানব নাহিদ রানা। তারা দুজনেই ২ টি করে উইকেট তুলে নিয়ে কিউইদের জয়ের স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দেন। অন্য প্রান্ত থেকে পেসার শরিফুল ইসলাম ১ উইকেট নিয়ে চাপ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

এর আগে ২৬৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। তবে দলের বিপর্যয়ে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়েছেন ফক্সক্রফট। তিনি কিউইদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৫ রানের একটি লড়াকু ইনিংস খেলেন। এছাড়া ওপেনার নিক কেলি ৫৯ রান করে মোস্তাফিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হলে নিউজিল্যান্ডের বড় জুটির সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়। এরপর আর কোনো ব্যাটার বাংলাদেশি বোলারদের তোপের মুখে থিতু হতে পারেননি।

ম্যাচের শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছিল ২৬৫ রান। শুরুতে ৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়লেও চতুর্থ উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাসের ১৬০ রানের রেকর্ড গড়া জুটি টাইগারদের ম্যাচে ফেরায়। নাজমুল শান্ত ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি করে ১০৫ রানে আউট হন এবং লিটন করেন দায়িত্বশীল ৭৬ রান। শেষ দিকে তাওহীদ হৃদয়ের ৩৩ ও মিরাজের ২২ রানের কার্যকরী ইনিংসে ভর করেই লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ। বল হাতে মোস্তাফিজের বিধ্বংসী ৫ উইকেট আর সম্মিলিত বোলিং নৈপুণ্যে সেই পুঁজিই জয়ের জন্য যথেষ্ট প্রমাণিত হলো। এই ঐতিহাসিক জয়ে গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের উল্লাসে মাতাল হয়ে ওঠে পুরো চট্টগ্রাম।