১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৮:৪৪:২৫ অপরাহ্ন


এখন পর্যন্ত যত পরিবার পেয়েছে ফ্যামিলি কার্ড
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৪-১৮ ১৭:৩৯:১৭
এখন পর্যন্ত যত পরিবার পেয়েছে ফ্যামিলি কার্ড ছবি: সংগৃহীত


বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন পদক্ষেপের খতিয়ান তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান যে, গত দুই মাসে সরকার প্রান্তিক মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ১০টি জেলার ২২ হাজারের বেশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করেছে।

ফ্যামিলি কার্ডের প্রভাব সম্পর্কে মাহদী আমিন বলেন, প্রতিটি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগী পরিবারগুলো মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা পাচ্ছে। এই উদ্যোগকে তিনি নারীর অর্থনৈতিক, পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নের একটি আন্তর্জাতিক রোল মডেল হিসেবে অভিহিত করেন। অন্যদিকে, ১০টি বিশেষ সুবিধা সম্বলিত ‘কৃষক কার্ড’ প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কৃষকদের ওপর ঋণের বোঝা কমাতে সরকারের নেওয়া বিশেষ উদ্যোগের কথা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই সরকার ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করে দিয়েছে। আগামীতে এই ধরনের জনবান্ধব কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়ানো হবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাষ্ট্র পরিচালনার দর্শন ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রতি দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করেন। তিনি সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারের যেকোনো ভুল-ত্রুটি যেন যুক্তিসঙ্গত সমালোচনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের সহযোগিতা এবং গঠনমূলক সমালোচনাই সরকারকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি স্পষ্ট করেন যে, প্রতিটি দপ্তরের মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা নিজ নিজ বিষয়ের জবাবদিহি করবেন এবং সংসদ সদস্যরা তাদের এলাকার মানুষের মতামত তুলে ধরবেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিচালিত সামগ্রিক রাষ্ট্রীয় কর্মপরিকল্পনা এবং জনকল্যাণমূলক প্রতিটি উদ্যোগ স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে জনগণের সামনে উপস্থাপনের দায়িত্ব পালন করবে তার দপ্তর। সরকারের এই অগ্রযাত্রায় তিনি দেশবাসীর সমর্থন ও সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করেন।