১২ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ১২:১২:২৮ পূর্বাহ্ন


যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৪-০৭ ১২:৩২:৫৮
যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছবি: সংগৃহীত


আগামী ২৭ এপ্রিল যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাধারণ নির্বাচনের পর এটিই হবে যশোর জেলায় তার প্রথম সফর। সোমবার (৬ এপ্রিল) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করে একে যশোরের মানুষের জন্য একটি ‘সুসংবাদ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে যশোর জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে যশোরের দীর্ঘদিনের দুটি বড় স্বপ্ন পূরণ। সফরকালে তিনি বহুল প্রতীক্ষিত যশোর ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। উল্লেখ্য যে, ২০১১ সালে যশোর মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলেও গত ১৫ বছরেও নিজস্ব কোনো হাসপাতাল চালু না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষার জন্য ৫ কিলোমিটার দূরে জেনারেল হাসপাতালে যেতে হতো। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্বোধনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও চিকিৎসা শিক্ষার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে।

পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শার্শা উপজেলার ঐতিহাসিক ‘উলাশী-যদুনাথপুর খাল’ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন। এই প্রকল্পটি যশোরের মানুষের আবেগ ও ইতিহাসের সাথে জড়িত, কারণ ১৯৭৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান নিজ হাতে কোদাল ধরে এই খালের কাজ শুরু করেছিলেন। দীর্ঘকাল সংস্কারের অভাবে ভরাট হয়ে যাওয়া এই খালটি প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পুনরায় খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা স্থানীয় কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনায় প্রাণ ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সফরসূচি অনুযায়ী, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের উদ্বোধন শেষে বিকেলে যশোর শহরের ঈদগাহ ময়দানে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই বড় ধরনের সমাবেশের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। জনসভাকে সফল করতে জেলার প্রতিটি ইউনিট কাজ করে যাচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, প্রধানমন্ত্রীর এই যশোর সফরকে ঘিরে এই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।