১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ১০:১৫:৫৯ অপরাহ্ন


জনাব তারেক রহমান কি নিজের সিদ্ধান্তে দেশ পরিচালনা করতে পারছেন?: হাসনাত আব্দুল্লাহ
অনলাইন ডেস্ক | ট্র্যান্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৪-০৪ ১৯:১৯:০১
জনাব তারেক রহমান কি নিজের সিদ্ধান্তে দেশ পরিচালনা করতে পারছেন?: হাসনাত আব্দুল্লাহ


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশ পরিচালনার সক্ষমতা ও তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের স্বাধীনতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বিতর্কিত প্রশ্ন উত্থাপন করেন।

ফেসবুক পোস্টে যা বলেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ হাসনাত আব্দুল্লাহ তার পোস্টে ২৯ নভেম্বর তারেক রহমানের দেওয়া একটি বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছেন, “এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতোই আমার রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।”

এই উদ্ধৃতি উল্লেখ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং বর্তমানের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তগুলো—বিশেষ করে গুম ও মানবাধিকার বিষয়ক অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়টি—কার বা কাদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে নেওয়া হয়েছে, তা আজও অস্পষ্ট। তিনি প্রশ্ন রাখেন:
      “দেশে ফেরার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত যেমন অন্য অনেকের প্রভাবের ওপর নির্ভর করেছে, ঠিক তেমনি দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রেও কি তিনি তাদের দ্বারা প্রভাবিত? জনাব তারেক রহমান কি নিজের সিদ্ধান্তে দেশ পরিচালনা করতে পারছেন, নাকি নেপথ্যে অন্য কেউ রয়েছেন—যাদের আমরা চিনি না?”

সংশয় ও রাজনৈতিক গুঞ্জন হাসনাত আব্দুল্লাহর এই পোস্ট ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। তিনি মূলত একটি ‘অদৃশ্য শক্তির’ দিকে ইঙ্গিত করে জানতে চেয়েছেন, দলের অনেকের দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, তার পেছনে নেপথ্যে কারা কলকাঠি নাড়ছে। এনসিপি নেতা দাবি করেন, তারেক রহমানের নিজের সিদ্ধান্ত এবং অন্যদের প্রভাব—এই দুইয়ের মধ্যে এক ধরনের ধোঁয়াশা রয়েছে, যা দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে অস্বস্তিকর।

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অধ্যাদেশ বাতিল ও পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সরকারি দলের ভেতরে ও বাইরে এমন নানা প্রশ্ন নিয়মিতই শোনা যাচ্ছে, তবে একজন সরকার দলীয় সংসদ সদস্যের এমন প্রকাশ্য অবস্থান রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।