গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের সন্ধ্যায় এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী ছাত্রী পাশের বাড়ি থেকে নিজের বাসায় ফেরার পথে নিজ গ্রামেরই কয়েকজন যুবক তার মুখ চেপে ধরে অপহরণ করে পাশের একটি জমিতে নিয়ে যায়।
ঘটনার বিবরণ ও আসামিদের পরিচয়
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ধর্ষণের সাথে সরাসরি জড়িত ও সহযোগিতাকারীরা হলো:
হযরত আলী: হাফেজুল ইসলামের ছেলে।
শাওন: তরিকুল ইসলামের ছেলে।
নয়ন: দিনুর ছেলে।
আমিন: ফরিদ হোসেনের ছেলে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হযরত, শাওন ও নয়ন পালাক্রমে ছাত্রীকে ধর্ষণ করে এবং আমিন ছাত্রীর মুখ চেপে ধরে রাখে যাতে সে চিৎকার করতে না পারে। এ সময় শাওন ও আমিন মোবাইল ফোনে পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করে।
ভিডিও নিয়ে উল্লাস ও হুমকি
ধর্ষণের পর ভুক্তভোগীকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় এবং ঘটনা জানাজানি হলে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায় অপরাধীরা। ভুক্তভোগী ছাত্রী জানায়, পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে সে প্রথমে চুপ ছিল, কিন্তু অপরাধীরা নিজেরাই সেই ভিডিও এলাকার মানুষকে দেখিয়ে আনন্দ করতে শুরু করলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
পুলিশের পদক্ষেপ
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানিয়েছেন যে, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে।