১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ১০:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন


জ্বালানি সংকট নিরসনে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়বে কিনা সিদ্ধান্ত হতে পারে বৃহস্পতিবার
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৩-৩০ ১৭:০৪:০৫
জ্বালানি সংকট নিরসনে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়বে কিনা সিদ্ধান্ত হতে পারে বৃহস্পতিবার ছবি: সংগৃহীত


বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলা এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে তেলের ওপর চাপ কমাতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে সরকার। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এবং নতুন করে আমদানিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিদ্যমান মজুত দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে এই সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আগামী ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠেয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানা গেছে।

জ্বালানি সাশ্রয়ের এই পরিকল্পনায় অফিসের সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার প্রস্তাবও রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—অফিসের কর্মঘণ্টা কমিয়ে আনা অথবা নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে বাসা থেকে কাজ বা ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ পদ্ধতি পুনরায় চালু করা। তবে এসব বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। প্রতিটি সরকারি দপ্তরকে ইতোমধ্যে নিজস্ব সাশ্রয়ী পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

পরিবহন খাতে জ্বালানির ব্যবহার কমাতে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে বড় শহরগুলোর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছে। শিক্ষার্থীদের যাতায়াত কমিয়ে কীভাবে তেলের ব্যবহার সীমিত করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে। এর আগে গত ২৯ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ১১ দফা বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যেখানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি অফিস কক্ষ পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। মূলত বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সরকার এসব বহুমুখী কৌশলী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।