রাজধানীর উত্তরার সোনারগাঁও জনপথ সড়কে অবস্থিত ‘উত্তরা স্কয়ার শপিং ও কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সে’ ভয়াবহ হামলা, ভাঙচুর ও ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুটের মামলায় গ্রেপ্তার ১১ আসামির দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এই আদেশ দেন।
ঘটনার সূত্রপাত: রিকশাচালকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত সোমবার কমপ্লেক্সের সামনে দায়িত্বরত এক নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে একজন রিকশাচালকের কথা কাটাকাটি হয়। সাধারণ এই ঘটনা মুহূর্তেই সহিংসতায় রূপ নেয়। ওই রিকশাচালক ও তার সাথে থাকা আরও ১৫-২০ জন মিলে নিরাপত্তাকর্মী ও কমপ্লেক্সের কর্মচারীদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের গুরুতর আহত করে।
গুজব ও ৬০০-৭০০ লোকের তাণ্ডব
হামলার পরপরই এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়লে প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ লোক লাঠিসোঁটা ও লোহার রড নিয়ে শপিং কমপ্লেক্সটিতে চড়াও হয়। উত্তেজিত জনতা কমপ্লেক্সের নিচতলা ও দোতলার কাচ ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।
১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট
ভাঙচুরের সুযোগে একদল দুর্বৃত্ত কমপ্লেক্সের ভেতরে ঢুকে লুটপাট চালায়। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে:
খাজানা ভ্যারাইটিজ স্টোর: এখান থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়।
কে জেড ইমিটেশন জুয়েলারি: এই দোকান থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার গয়না নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
আদালতের আদেশ
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই মো. সুমন মিয়া আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— মো. মনির আলম, মো. মজিবর রহমান, মো. হৃদয়, মো. মঞ্জুরুল, মো. মহব্বত আলী, শাহ পরান, মো. শাকিল, মো. রশিদুল ইসলাম ওরফে রশিদ, মো. সাজু, মো. লিটন ও জিহাদ।