১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৭:৪৫:০০ অপরাহ্ন


জমেছে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনের প্রচারণা
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৩-১৬ ২১:৩৬:২১
জমেছে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনের প্রচারণা ছবি: সংগৃহীত


পবিত্র রমজানের আমেজ আর ঈদুল ফিতরের প্রস্তুতির মাঝেই শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। আগামী ৯ এপ্রিল এই আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উৎসবের মৌসুমে সাধারণ মানুষ যখন কেনাকাটা আর ঘরমুখো যাত্রায় ব্যস্ত, প্রার্থীরা তখন এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি রমজান ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। ফলে রোজার মধ্যেও নির্বাচনী এলাকা এখন বেশ উত্তপ্ত ও উৎসবমুখর।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, শুরুতে ৫ জন প্রার্থী থাকলেও ২ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় বর্তমানে লড়াইয়ে টিকে আছেন ৩ জন প্রার্থী। তবে নির্বাচনী সমীকরণ বলছে, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে।

বিএনপির পক্ষে লড়ছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও তিনবারের সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেল। অভিজ্ঞ এই প্রার্থী অনেক আগে থেকেই উপজেলা সদর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ তাকে 'পরীক্ষিত নেতা' হিসেবে বিবেচনা করছেন। সমর্থকদের মতে, রুবেলের বাবা মরহুম ডা. সেরাজুল হকও দুইবার এমপি ছিলেন। বর্তমানে কেন্দ্রে নিজস্ব দলীয় সরকার থাকায় রুবেল নির্বাচিত হলে এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ বেশি আসবে—এমন প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।

অন্যদিকে, জামায়াতের সাবেক প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর পর এই আসনে তার সহোদর ভাই মো. মাসুদুর রহমান মাসুদকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। জামায়াত সমর্থকদের বিশ্বাস, নুরুজ্জামান বাদল এলাকায় যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, তার উত্তরসূরি হিসেবে মাসুদও জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। মাসুদের পক্ষে দলীয় কর্মীরা দিনরাত নির্বাচনী মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশন এই ভোটগ্রহণকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ইতোমধ্যে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেছেন। উল্লেখ্য, নুরুজ্জামান বাদলের আকস্মিক মৃত্যুতে এই আসনের পূর্ব নির্ধারিত নির্বাচন বাতিল করা হয়েছিল। পরবর্তীতে নতুন তফসিল ঘোষণা করে আগামী ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।