১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৯:২৩:৩৬ অপরাহ্ন


যুদ্ধ চলাকালীন পারস্য উপসাগর থেকে এক লিটার তেলও রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না: ইরান
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৩-১০ ১৭:১১:১৩
যুদ্ধ চলাকালীন পারস্য উপসাগর থেকে এক লিটার তেলও রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না: ইরান ছবি: সংগৃহীত


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ বন্ধের আশাবাদী মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছে ইরান। ফ্লোরিডায় এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ খুব শীঘ্রই শেষ হতে যাচ্ছে। তাঁর এই বক্তব্যের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমলেও ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, সংঘাত চলাকালীন পারস্য উপসাগর থেকে এক লিটার তেলও রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) অ

ত্যন্ত কঠোর ভাষায় সতর্ক করে বলেছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই অঞ্চল থেকে শত্রু পক্ষ বা তাদের মিত্রদের কাছে কোনো জ্বালানি সরবরাহ করতে দেওয়া হবে না। ইতিমধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে রেখেছে ইরান। আইআরজিসি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই যুদ্ধের সমাপ্তি কখন হবে তা ইরানই নির্ধারণ করবে এবং পুরো অঞ্চলের ভবিষ্যৎ সমীকরণ এখন তাদের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে।

এদিকে ইরানের এই হুমকির আগে ট্রাম্পের মন্তব্যে ইউরোপের বাজারে গ্যাসের দাম ১৫ শতাংশ কমেছিল এবং এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোও কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল। তবে নতুন করে অস্থিরতার আশঙ্কায় মিশর জ্বালানি তেলের দাম ৩০ শতাংশ বাড়িয়েছে এবং পাকিস্তান তাদের বাণিজ্যিক জাহাজগুলো নৌবাহিনীর মাধ্যমে পাহারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অন্যদিকে ওয়াশিংটনকে সরাসরি বার্তা দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যতদিন প্রয়োজন এবং যতক্ষণ সময় লাগবে, তারা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বিশ্ব জ্বালানি বাজার আবারও গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।