১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৫:৪০:২৯ অপরাহ্ন


মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগেও চকলেট খাওয়ার বায়না ধরেছিল রোজী : মালেক আফসারী
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৩-০৯ ১৭:৪০:৩১
মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগেও চকলেট খাওয়ার বায়না ধরেছিল রোজী : মালেক আফসারী ছবি: সংগৃহীত


বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালি যুগের অবিস্মরণীয় নাম রোজী আফসারী। ১৯৬৪ সালে ‘এইতো জীবন’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় পা রাখা এই গুণী অভিনেত্রী দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সাড়ে তিনশোর বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে দেশের প্রথম নারী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ের গৌরবও ছিল তাঁর ঝুলিতে। আজ এই কিংবদন্তি অভিনেত্রীর প্রয়াণের ১৪ বছর পূর্ণ হলো।

২০০৭ সালের ৯ মার্চ মাত্র ৫৭ বছর বয়সে কিডনিজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রয়াণ দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছেন তাঁর স্বামী ও জনপ্রিয় নির্মাতা মালেক আফসারী। স্ত্রীর শেষ মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি জানান, রোজী চকলেট খুব পছন্দ করতেন। মৃত্যুর মাত্র ১৫ মিনিট আগেও তিনি চকলেট খাওয়ার বায়না করেছিলেন। বারডেম হাসপাতালের নিচ থেকে আনা সেই চকলেটের টুকরো মুখে দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।

শামীমা আক্তার রোজী পর্দায় ‘রোজী সামাদ’ ও ‘রোজী আফসারী’ নামেই দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। ১৯৮০ সালে ‘বিনি সুতোর মালা’ সিনেমার সেটে মালেক আফসারীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়, যা পরে পরিণয়ে রূপ নেয় ১৯৮৫ সালে।

অভিনয়ের পাশাপাশি ১৯৮৬ সালে ‘আশা নিরাশা’ সিনেমা দিয়ে তিনি পরিচালক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘সূর্য সংগ্রাম’, ‘অশিক্ষিত’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং ‘এই ঘর এই সংসার’। ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি সিনেমার মাধ্যমে পর্দা থেকে বিদায় নেন এই চিরসবুজ অভিনেত্রী।