১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৯:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন


চাঁদাবাজিকাণ্ডে আলোচিত রিয়াদ এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় রিমান্ডে
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৩-০৫ ১৫:২০:৫৭
চাঁদাবাজিকাণ্ডে আলোচিত রিয়াদ এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় রিমান্ডে ছবি: সংগৃহীত


বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে বারবার আলোচনায় আসা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদকে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এই আদেশ দেন। তবে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য তিন আসামি মো. রিয়াদুল হাওলাদার, মো. আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদারের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত রিয়াদের রিমান্ড ও বাকিদের জামিনের এই সিদ্ধান্ত জানান।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির ভেতরে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধনের সঙ্গে রিয়াদ ও তার সহযোগীদের পূর্বশত্রুতা ছিল। ঘটনার দিন ৪১২ নম্বর কক্ষে সমাবর্তনে অংশগ্রহণ নিয়ে কথা বলার একপর্যায়ে রিয়াদের নির্দেশে রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে নির্জনকে আঘাত করেন। অভিযোগ রয়েছে, রিয়াদ নিজে সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে নির্জনকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করলে তার নাক গুরুতর জখম হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে, তবে খবর পেয়ে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তদের আটক করে।

আদালতে শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের সওয়াল করেন। রিয়াদের সহযোগী তিন আসামির আইনজীবী সাখাওয়াত হোসেন যুক্তিতে বলেন যে, তারা চাকরিপ্রার্থী এবং এই বিবেচনায় তাদের জামিন দেওয়া প্রয়োজন। আদালত সব দিক বিবেচনা করে রিয়াদের বিরুদ্ধে তদন্তের স্বার্থে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করলেও বাকিদের মুক্তি দেন। উল্লেখ্য, রিয়াদ এর আগেও গত বছরের ২৬ জুলাই গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। সেই মামলায় জামিনে মুক্তি পাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই এবার সরাসরি সহপাঠীকে হত্যাচেষ্টার গুরুতর অভিযোগে পুনরায় আইনি মারপ্যাঁচে জড়ালেন এই ছাত্রনেতা।