১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৬:৪৬:৩২ অপরাহ্ন


খামেনিকে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা ও সমবেদনা
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৩-০২ ১৬:২৭:০৭
খামেনিকে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা ও সমবেদনা ছবিঃ সংগৃহীত


ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার ঘটনায় দেশটির জনগণের প্রতি গভীর শোক ও আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সোমবার (২ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই ঘটনাকে ‘আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হওয়ার খবর প্রকাশের একদিন পর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এই আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হলো।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে লক্ষ্যবস্তু করে এই হত্যাকাণ্ড পরিচালনার সংবাদে বাংলাদেশ সরকার অত্যন্ত মর্মাহত। এ ধরনের হামলা কেবল একটি দেশের সার্বভৌমত্বকে আঘাত করে না, বরং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অবজ্ঞাও প্রদর্শন করে। এই কঠিন সময়ে ইরানের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের পাশে থাকার কথা জানিয়ে তাদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে যে, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে সংঘাত বা যুদ্ধ কখনোই কোনো সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী সমাধান আনতে পারে না। বরং সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অবিচল আনুগত্যের মাধ্যমেই যেকোনো বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব।

উল্লেখ্য যে, গত রোববার (১ মার্চ) ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি প্রাথমিক বিবৃতি দিয়েছিল। সেখানে ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা জানানো হলেও সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের নাম উল্লেখ করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। অনেক বিশ্লেষক এবং সাধারণ মানুষ সরকারের এই অবস্থানকে ‘একপাক্ষিক’ হিসেবে মন্তব্য করেছিলেন। সেই বিতর্কের প্রেক্ষাপটেই আজ দ্বিতীয় দফায় নতুন বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে সেখানে বসবাসরত প্রায় ৬০ লাখ বাংলাদেশির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোকে প্রবাসীদের নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।