আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। এই হিসাব ধরে বাংলাদেশ সরকার এবারের ঈদে মোট ৫ দিনের সরকারি ছুটি নির্ধারণ করেছে। তবে কৌশলী হলে চাকরিজীবীরা এর সাথে আরও কয়েকদিন যোগ করে টানা ১০ দিনের অবকাশ যাপন করতে পারবেন।
ছুটির ক্যালেন্ডার যেভাবে সাজানো:
ঈদের নির্ধারিত ছুটি: ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত।
মাঝখানের কর্মদিবস: ২৪ মার্চ (মঙ্গলবার) ও ২৫ মার্চ (বুধবার)।
পরবর্তী ছুটি: ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) মহান স্বাধীনতা দিবস এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি।
টিপস: যদি কোনো চাকরিজীবী মাঝখানের ২৪ ও ২৫ মার্চ—এই দুই দিন নৈমিত্তিক ছুটি (CL) নিতে পারেন, তবে ১৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ পাবেন।
বেসরকারি ও গার্মেন্টস খাতের পরিস্থিতি
সরকারি খাতের চিত্র এমন হলেও বেসরকারি এবং বিশেষ করে গার্মেন্টস সেক্টরের চিত্র কিছুটা ভিন্ন:
সাধারণ ছুটি: বেসরকারি খাতে সাধারণত ৩ থেকে ৪ দিনের ঈদ ছুটি দেওয়া হয়।
সমন্বয়: অনেক ক্ষেত্রে ওভারটাইম বা অতিরিক্ত কাজের বিনিময়ে এই ছুটি কিছুটা সমন্বয় বা বাড়ানো হয়ে থাকে।