১২ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ১০:৩৬:৩২ অপরাহ্ন


তেলের বাজারে আবার ঢুকছে রাশিয়া, বিশ্ববাজারে কমেছে দাম!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ট্রেন্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-১০-১২ ১৬:৫৬:২৫
তেলের বাজারে আবার ঢুকছে রাশিয়া, বিশ্ববাজারে কমেছে দাম! বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম, বাজারে ঢুকছে রাশিয়ার ডিজেল।


ট্রাম্পের নতুন পদক্ষেপে কমলো ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম; মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও হুতিদের হামলায় সরবরাহ নিয়ে রয়ে গেছে শঙ্কা

     বৈশ্বিক জ্বালানি খাতের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের মোড় ঘটিয়ে মার্কিন বাজারে সরাসরি তেলের যোগান বাড়াতে রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল কেনা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র সামরিক সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যেই মস্কোর এই বাড়তি সরবরাহের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছে। একই সঙ্গে রাশিয়া ও ইউক্রেনের একে অপরের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের প্রাথমিক সমঝোতার খবরে সোমবার বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও ডিজেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

সোমবার এশিয়ার বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৪৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৩.১৮ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ১.৬৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯০.৩১ ডলারে। পাশাপাশি আইসিই গ্যাস-অয়েলের (ডিজেল) দাম ৩ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১,৪৩৬ ডলারে নেমে এসেছে।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেন, রাশিয়া তাৎক্ষণিকভাবে মার্কিন ও বৈশ্বিক বাজারে ৩ লাখ টনের বেশি ডিজেল সরবরাহ করবে। পরবর্তীতে আগামী নভেম্বরে আরও ৫ লাখ টন এবং এর পরপরই অতিরিক্ত ১০ লাখ টন ডিজেল বাজারে পৌঁছাবে। যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মূল্যস্ফীতি সামাল দিতে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

এ ছাড়া রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরের তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধে রাজি হওয়ায় সরবরাহের ওপর ঝুঁকি কিছুটা কমেছে। তবে কেসিএম ট্রেডের প্রধান বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার জানান, চুক্তিটি বাস্তবে কতটুকু কার্যকর হবে তা নিয়ে সংশয় থাকায় তেলের দামে বড় ধরনের ধসের সম্ভাবনা কম।

এদিকে রাশিয়ার যোগান বাড়লেও বিশ্ববাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের ওপর হামলা জোরদার করার পাশাপাশি সম্প্রতি দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে। এতে করে লোহিত সাগর ও সমুদ্রপথে জ্বালানি পরিবহনের নিরাপত্তাও চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।