১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৯:২১:২০ অপরাহ্ন


আইয়ুব বাচ্চুর ২০টি গানের প্রকল্প ‘উত্তরাধিকার’ স্থগিত, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে গান প্রত্যাহার!
বিনোদন ডেস্ক | ট্রেন্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৯-০১ ১৬:৫৮:০৪
আইয়ুব বাচ্চুর ২০টি গানের প্রকল্প ‘উত্তরাধিকার’ স্থগিত, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে গান প্রত্যাহার! কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু I ছবি: সংগৃহীত


সুর ও গায়কী নিয়ে ভক্তদের ক্ষোভের মুখে সিদ্ধান্ত; পরিবার ও বিশেষজ্ঞদের প্যানেল গঠনের উদ্যোগ!

      কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর জনপ্রিয় ২০টি গান নতুন সংগীতায়োজনে প্রকাশের উদ্যোগ ‘উত্তরাধিকার’ প্রকল্পটি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইতোমধ্যে মুক্তি পাওয়া ৭টি গানের মধ্যে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়া ৪টি গান ইউটিউব ও স্পটিফাইসহ সব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত ১৬ আগস্ট আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিনে আটটি ব্যান্ড ও ১২ জন স্বতন্ত্র শিল্পীর অংশগ্রহণে বেশ বড় আয়োজনে প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল।

প্রকল্পের প্রেক্ষাপট ও ক্ষোভের নেপথ্য


‘উত্তরাধিকার’ প্রকল্পের আওতায় প্রথম গান হিসেবে বাপ্পা মজুমদারের কণ্ঠে ‘রুপালি গিটার’ প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে একে একে আরও ৬টি গান প্রকাশিত হলেও সুরের মৌলিকতা ও গায়কী নিয়ে বাচ্চুভক্তদের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দেয়।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত গানগুলোর বর্তমান স্থিতি:

                  ‘উত্তরাধিকার’ প্রকল্পের গান ও বর্তমান স্থিতি
   -----------------------------------------------------------------
   ১. বহাল থাকা ৩টি গান      : ‘রুপালি গিটার’ (বাপ্পা), ‘গতকাল রাতে’ (সোনার বাংলা সার্কাস), ‘আপন কেহ নাই’ (পলাশ)
২. প্রত্যাহারকৃত ৪টি গান : ‘কষ্ট পেতে ভালোবাসি’ (কানিজ সুবর্ণা), ‘কষ্ট কাকে বলে’ (জয় শাহরিয়ার), ‘হকার’ (অটামনাল মুন), ‘ঘুমন্ত শহরে’ (অদিত)
৩. অপ্রকাশিত গান : ১৩টি গান (আপাতত প্রকাশ বন্ধ)


অংশীজনদের বৈঠক ও পরবর্তী সিদ্ধান্ত


উদ্ভূত বিতর্কের মুখে গত রোববার সন্ধ্যায় ধানমন্ডির একটি কফি শপে প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত সব অংশীজন এক জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে বাচ্চুর দীর্ঘদিনের সহযাত্রী ও এলআরবি সদস্য শামীম আহমেদ এবং শিল্পী ফেরদৌস আক্তার প্রসংগে যৌথ মতামত ব্যক্ত করেন।

পক্ষবক্তব্য ও সিদ্ধান্ত
শামীম আহমেদ (এলআরবি)আইয়ুব বাচ্চুর কালজয়ী সৃষ্টির অবমূল্যায়ন রোধে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করা হবে। প্যানেলের অনুমোদনের পরেই গান প্রকাশের সিদ্ধান্ত হবে।
আইয়ুব বাচ্চুর পরিবারপ্রকল্পটির উদ্দেশ্য ছিল গানগুলোর আয় থেকে ‘আইয়ুব বাচ্চু মিউজিয়াম’ তৈরি করা। কোনো বাণিজ্যিক স্বার্থ ছিল না। শিল্পীদের শ্রদ্ধাঞ্জলিকে ঢালাওভাবে উগ্রতার সাথে বিচার না করার অনুরোধ জানান তাঁরা।
সুর ও সংগীতের মান অক্ষুণ্ণ রেখে প্রয়াত এই রক লিজেন্ডের সৃষ্টিকে সঠিক উপায়ে ডিজিটাল মাধ্যমে ধরে রাখাই এখন আয়োজকদের মূল লক্ষ্য।