১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৯:৩৮:০০ অপরাহ্ন


বিসিবি নির্বাচন আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন: তিন প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার !
অনলাইন ডেস্ক | ট্র্যান্ডনিউজবিডি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৫-২৫ ১৭:১৪:২৭
বিসিবি নির্বাচন আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন: তিন প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার !


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন আরও একধাপ প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন হয়ে পড়েছে। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিনে নির্বাচন থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন তিনজন প্রার্থী। এর ফলে এবারের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত পরিচালকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ জনে। আগামী ৭ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনে এখন কেবল ক্যাটাগরি-১–এর অধীনে খুলনা ও বরিশাল বিভাগ এবং ঢাকার ক্লাবগুলোকে নিয়ে গঠিত ক্যাটাগরি-২–এর পদগুলোতেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমাবদ্ধ থাকছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এবং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্ধারিত দিনে যে তিনজন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা হলেন—চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে ভোটে দাঁড়ানো ফেনী জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর শরীফুল ইসলাম, লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের লুৎফর রহমান এবং ওল্ড ঢাকা ক্রিকেটার্সের মো. মাহমুদ-উর-রহমান। এদের মধ্যে প্রথমজন ক্যাটাগরি-১ এবং পরের দুজন ক্যাটাগরি-২ থেকে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে দুজন পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার কথা। তবে শরীফুল ইসলাম সরে দাঁড়ানোয় এই বিভাগ থেকে অপর দুই প্রার্থী—জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর মিনহাজুল আবেদীন এবং লক্ষ্মীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর মঈন উদ্দিন চৌধুরীর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হওয়া নিশ্চিত হয়ে গেছে। এর আগে ক্যাটাগরি-১ থেকে আরও পাঁচজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন—সিলেট বিভাগের আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, ঢাকা বিভাগের সাইদ বিন জামান ও এস এম আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ, রাজশাহী বিভাগের মীর শাকরুল আলম সীমান্ত এবং রংপুর বিভাগের মির্জা ফয়সল আমীন। উল্লেখ্য, ঢাকা বিভাগ থেকে প্রার্থী হওয়া গোপালগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন খসরুর মনোনয়নপত্র আগেই বাতিল হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আপিল করার পরও বৈধতা পায়নি।

ক্যাটাগরি-১ থেকে মোট ১০ জন পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার নিয়ম রয়েছে, যার মধ্যে সাতজনই ইতিমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন। বাকি তিনটি পরিচালক পদের মধ্যে দুটি আসবে খুলনা বিভাগ থেকে এবং একটি বরিশাল বিভাগ থেকে। খুলনা বিভাগের দুটি পদের বিপরীতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার শফিকুল আলম, যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার শান্তনু ইসলাম এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার মো. আবদুছ ছালাম। অন্যদিকে বরিশালের একটি পরিচালক পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুজন—বরিশাল বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার মো. মিজানুর রহমান এবং ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার মো. মুনতাসির আলম চৌধুরী।

ঢাকার ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত ক্যাটাগরি-২–এ ১২টি পরিচালক পদের জন্য শুরুতে ১৮ জন প্রার্থী থাকলেও লুৎফর রহমান ও মাহমুদ-উর-রহমান প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় এখন প্রতিদ্বন্দ্বীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে, যার ফলে এখানেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা কমে গেছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়, সাবেক ক্রিকেটার ও বিভিন্ন সংস্থা মিলিয়ে গঠিত ক্যাটাগরি-৩ থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলর ও বিসিবির সাবেক পরিচালক সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আছেন। বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী মোট ২৫ জনের পরিচালনা পর্ষদের মধ্যে ২৩ জন নির্বাচিত হয়ে আসেন এবং বাকি দুজন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কর্তৃক মনোনীত হন। পরবর্তীতে এই ২৫ জন পরিচালকের প্রত্যক্ষ ভোটে বোর্ডের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।