১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ১১:৫১:১২ অপরাহ্ন


ঈদের জন্য শপিংমল রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি দোকান মালিক সমিতির
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৫-০৩ ১৪:৫২:০২
ঈদের জন্য শপিংমল রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি দোকান মালিক সমিতির ছবি: সংগৃহীত


আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাধারণ ক্রেতাদের কেনাকাটার সুবিধার্থে শপিংমল ও বিপণিবিতান খোলা রাখার সময়সীমা রাত ৯টা পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতি। বর্তমানে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধের যে নিয়ম রয়েছে, তা পরিবর্তন করে আরও দুই ঘণ্টা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে গত শনিবার (২ মে) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বরাবর একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছে সংগঠনটি। রোববার (৩ মে) ব্যবসায়ী নেতাদের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপু স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে জানানো হয়, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্তের কারণে ব্যবসায়ীরা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে অধিকাংশ মানুষ অফিস বা কাজ শেষে সন্ধ্যার পরই কেনাকাটা করতে বের হন। ফলে নির্ধারিত সময়ে দোকান বন্ধ করে দেওয়ায় বিক্রি আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে, যা বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অস্তিত্বের সংকটে ফেলেছে। পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকলে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং সরকারের ভ্যাট ও ট্যাক্স আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়টি মাথায় রেখে ব্যবসায়ীরা একটি বিকল্প প্রস্তাবও দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, শপিংমল খোলার সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টা করা যেতে পারে। এতে যেমন বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে, তেমনি ক্রেতারা সন্ধ্যার পর কেনাকাটার পর্যাপ্ত সময় পাবেন। চিঠিতে ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে উল্লেখ করেন যে, বৈধ শপিংমলগুলো বন্ধ থাকলেও সন্ধ্যার পর অনেক ভ্রাম্যমাণ ভ্যান অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে ব্যবসা চালাচ্ছে, যা সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য একটি অসুস্থ প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করছে।

ব্যবসায়ী নেতারা সরকারি নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জানিয়েছেন, দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং সাধারণ মানুষের উৎসবের কেনাকাটার কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত জরুরি। এই সংকট নিরসনে এবং ঈদকে কেন্দ্র করে ব্যবসার স্বাভাবিক গতি ফেরাতে তারা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীর দ্রুত ও ইতিবাচক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।