১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৯:২১:৩০ অপরাহ্ন


ঈদের জামা কাপড় তৈরিতে দিন-রাত কাজ করছেন দর্জিরা
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৩-১৭ ১৭:৫০:০১
ঈদের জামা কাপড় তৈরিতে দিন-রাত কাজ করছেন দর্জিরা ছবি: সংগৃহীত


ঈদের আর মাত্র দুই-তিন দিন বাকি, আর এই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে রাজধানীর দর্জিপাড়া এখন সেলাই মেশিনের খটখট শব্দে মুখর। কারিগরদের চোখে ঘুম নেই, কারও হাতে সময় নেই নাওয়া-খাওয়ার। কেউ জামা-সালোয়ার সেলাই করছেন, কেউ ব্যস্ত হাতের কাজে, আবার কেউ পোশাকের ওভারলকে মগ্ন। রমজানের শুরু থেকে ব্যস্ততা থাকলেও এখন তা চরমে পৌঁছেছে, যা চলবে একদম চাঁদরাত পর্যন্ত। লালমাটিয়া, ধানমন্ডি কিংবা নিউ মার্কেটের টেইলার্সগুলো ঘুরে দেখা গেছে কারিগরদের এই নিরন্তর কর্মযজ্ঞ।

এবারের ঈদে পোশাক সেলাইয়ের মজুরিও যেন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এলাকা এবং দর্জির চাহিদাভেদে থ্রি-পিস সেলাইয়ের মজুরি ৮০০ টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার বা আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড়িয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে চাঁদনী চক বা গাউছিয়ার মতো এলাকায় নকশাভেদে এই মজুরি ৭৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করছে। লং ফ্রক স্টাইলের পোশাক তৈরিতেও খরচ পড়ছে ৮০০ থেকে ২৫০০ টাকার মতো।

দর্জিরা বলছেন, সবকিছুর দাম বাড়ার প্রভাবে কারিগরদের মজুরিও বেড়েছে। এবারের ঈদের ফ্যাশনে তরুণীদের পছন্দের তালিকায় আছে লং কামিজের পাশাপাশি প্লাজো কাটের পায়জামা ও লুজ শর্ট কামিজ। আবার লম্বা কামিজের সাথে স্ট্রেটকার্ট প্যান্ট বা ফার্সি সালোয়ারের সাথে ছোট টপসও বেশ জনপ্রিয়। প্রতিটি কামিজেই এখন কারুকাজের ছড়াছড়ি; সুতার কাজ, ইয়োক, লেস, ডলার কিংবা পাথরের কাজ সবখানেই থাকছে আভিজাত্যের ছোঁয়া। বোটগলা ও শেরওয়ানি কাটের চাহিদা এবার সবচেয়ে বেশি। কামিজে ব্যবহার করা হচ্ছে প্রিন্টের ইয়োক, ভরাট অ্যাপ্লিক ও কাঁথা স্টিচের কাজ। সামঞ্জস্যপূর্ণ এমব্রয়ডারি আর শিফনের ওড়না ও হাতা যেন পোশাকগুলোকে আরও রুচিশীল করে তুলেছে। সব মিলিয়ে নিজের পছন্দের পোশাকটি সময়মতো বুঝে পাওয়ার অপেক্ষায় এখন হাজারো মানুষ।