১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ০৭:৪৫:১৫ অপরাহ্ন


ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে বিপিসির নতুন নির্দেশনা
অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৬-০৩-১১ ১৬:৪১:২০
ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে বিপিসির নতুন নির্দেশনা


মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মাঝে দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে অকটেন ও পেট্রল সরবরাহ নিয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। নির্দেশনায় বিভাগীয় শহরগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ হ্রাসের মাত্রা আগের চেয়ে শিথিল করা হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সরবরাহে ইতিবাচক পরিবর্তন

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলমান বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের সাধারণ মানুষের চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি তেল সরবরাহ সমুন্নত রাখতে বিপিসি এই নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর আগে বিভাগীয় শহরগুলোতে অকটেন ও পেট্রলের গড় বিক্রয় থেকে ২৫ শতাংশ সরবরাহ হ্রাস করা হয়েছিল। বর্তমান নির্দেশনায় সেই হ্রাসের মাত্রা কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। অর্থাৎ, ফিলিং স্টেশনগুলো এখন আগের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি জ্বালানি বরাদ্দ পাবে।

বণ্টন প্রক্রিয়া ও তদারকি

নতুন বরাদ্দ চার্ট অনুযায়ী প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে:

বিপিসির অধীনস্থ বিপণন কোম্পানিগুলোর (পদ্মা, মেঘনা, যমুনা) ডিপো সুপার ও বিক্রয় কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

ডিলার এবং এজেন্টদের বরাদ্দকৃত তেল যথাযথভাবে সংগ্রহ ও বিতরণের অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রেক্ষাপট

বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি উৎপাদনকারী অঞ্চলে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ও সরবরাহ চেইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশে এই সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার আগে থেকেই রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছিল। বর্তমানে অভ্যন্তরীণ মজুদ পরিস্থিতি এবং রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জনগণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এই সরবরাহ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


বিপিসি জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পরবর্তীতে প্রয়োজনে বরাদ্দের এই মাত্রা আরও সমন্বয় করা হতে পারে।