প্রণয় ও বিরহের আবেগঘন অনুভূতি নিয়ে ছোট-বড় পর্দায় অসংখ্য চলচ্চিত্র, নাটক বা ওয়েব কন্টেন্ট নির্মিত হলেও বিবাহের পর একটি নবদম্পতির প্রাত্যহিক বাস্তব জীবনে কী ধরনের সামাজিক ও মানসিক টানাপোড়েন ঘটে—তা নিয়ে বাংলা বিনোদন জগতে কাজ তুলনামূলক বেশ কম। সেই ভাবনা ও পটভূমি থেকেই তরুণ প্রতিভাবান নির্মাতা জাহিদ প্রীতম নির্মাণ করেছেন চরকির নতুন ওয়েব ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির বহুল প্রতীক্ষিত এই অরিজিনাল ফিল্মের বিশেষ প্রিমিয়ার প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সিনেমাটিতে প্রথমবার ঢালিউডের শীর্ষ অ্যাকশন ও রোমান্টিক তারকা আরিফিন শুভর বিপরীতে নারীপ্রধান চরিত্রে জুটি বেঁধেছেন ছোট পর্দার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল।
প্রিমিয়ার শো শেষ হওয়ার পরপরই গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। এ সময় কৌতূহলী সাংবাদিকরা তাঁর কাছে প্রশ্ন রাখেন—বাস্তব বিবাহিত জীবনে সুখী থাকার আসল ‘রেসিপি’ বা সহজ উপায় কী?
প্রশ্নের উত্তরে স্বভাবসুলভ রসিকতা ও স্মিত হাসিতে আরিফিন শুভ জবাব দেন, "বিবাহিত বা ম্যারিড লাইফে অলওয়েজ হ্যাপি থাকার একটাই সহজ রেসিপি—প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার করে চরকিতে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ চলচ্চিত্রটি দেখতে হবে। বিশেষ করে প্রতি শুক্রবার সকালে ঘুম থেকে উঠেই সবাই মিলে এটি একবার দেখে নিলেই পুরো সপ্তাহ হ্যাপিলি ম্যারিড থাকা সম্ভব!"
সহশিল্পী কেয়া পায়েল ও ইউনিটের পেছনের কলাকুশলীদের প্রশংসা করে শুভ আরও জানান, পুরো টিমের যৌথ প্রচেষ্টা ও চমৎকার মেলবন্ধনে কাজটির পেছনে সবাই ভীষণ পরিশ্রম করেছেন এবং নির্মাণের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছেন।
উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে আরিফিন শুভ তাঁর অফিশিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনোপ্রকার বিবরণ ছাড়া শুধু ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ লিখে একটি রহস্যময় স্ট্যাটাস পোস্ট করেছিলেন। মুহূর্তেই পোস্টটি ভাইরাল হয়ে যায় এবং ভক্তদের মনে চরম কৌতূহলের সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে জানা যায়, চরকির এই নতুন সিনেমাটির অফিশিয়াল প্রচারণার অংশ হিসেবেই ছিল তাঁর সেই চমকপ্রদ পোস্ট।