কেন ক্ষমা চাইলেন স্বস্তিকা মুখার্জি?


বিনোদন ডেস্ক | ট্রেন্ডনিউজবিডি , আপডেট করা হয়েছে : 22-09-2026

কেন ক্ষমা চাইলেন স্বস্তিকা মুখার্জি?
‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর মঞ্চে টানা সঞ্চালনায় কণ্ঠে ক্লান্তি; ঠান্ডা সেটে গলা ভাঙায় দর্শকের কাছে ক্ষমা চাইলেন অভিনেত্রী

      ভারতের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর মঞ্চে প্রতিদিন হাসিমুখে সঞ্চালনা করতে দেখা গেলেও পর্দার আড়ালে মোটেও স্বস্তিতে নেই ওপার বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি। প্রতিদিন দীর্ঘ সময় টানা কথা বলতে গিয়ে তাঁর গলায় ভর করেছে প্রচণ্ড ক্লান্তি, তার ওপর শুটিং সেটের কনকনে ঠান্ডা পরিবেশ। সব মিলিয়ে প্রতিদিনের এই নতুন দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে বেশ কঠিন শারীরিক পরীক্ষার মুখেই পড়েছেন এই অভিনেত্রী।

ছোট পর্দায় প্রতিদিন টানা রিয়েলিটি শো সঞ্চালনার অভিজ্ঞতা স্বস্তিকা মুখার্জির ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম। এর আগে নানা উৎসব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মঞ্চে দু-একদিন উপস্থাপকের ভূমিকায় দেখা মিললেও নিয়মিত দৈনিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনার গুরুদায়িত্ব এর আগে কখনও সামলাতে হয়নি তাঁকে। ফলে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর মতো মেগা রিয়েলিটি শোয়ের নতুন দায়িত্ব স্বস্তিকার জন্য যেমন এক অভিনব অভিজ্ঞতা, তেমনই বিশাল এক চ্যালেঞ্জও বটে।

দীর্ঘদিন ধরে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর অপ্রতিদ্বন্দ্বী ও অতি পরিচিত মুখ ছিলেন অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি। রচনা ব্যানার্জির তৈরি করা সেই জায়গায় নতুন সঞ্চালক হিসেবে দর্শক হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া ও নিজেকে মানিয়ে নেওয়া স্বস্তিকার জন্য একেবারেই সহজ ছিল না। প্রতিদিন ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে অনর্গল কথা বলে যেতে হচ্ছে তাঁকে।

কাজের সেই ধারাবাহিকতায় একপর্যায়ে প্রতিযোগী ও স্টুডিওতে উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশে মাইক্রোফোন হাতে স্বস্তিকা হাস্যরসে ক্ষমা চেয়ে বলেন, "আজ আপনারা আমাকে ক্ষমা করবেন। নিজের ছোট বোন বা দিদি মনে করে ক্ষমা করে দেবেন। আজ সারা দিন কথা বলতে বলতে আমার গলাটা একদম ব্যাঙের মতো শোনাচ্ছে।"

নিজের শারীরিক সমস্যার ব্যাখ্যা দিয়ে স্বস্তিকা জানান, শুটিং সেটের কনকনে ঠান্ডা এসিতে টানা দাঁড়িয়ে কাজ করার কারণে তাঁর গলায় চরম চাপ পড়ছে। সিনেমা বা ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ে সংলাপের মাঝে বিরতি থাকে, এত দীর্ঘ সময় একনাগাড়ে কথা বলার প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু নন-ফিকশন বা বাস্তবভিত্তিক রিয়েলিটি শোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্রতিযোগী ও স্টুডিওর দর্শকদের সঙ্গে কথা বলে পরিবেশ জমজমাট রাখতে হয়।

তার ওপর স্টুডিওর সুবিশাল ও শক্তিশালী আলোর উত্তাপ সামলাতে এসি বন্ধ রাখাও কোনোভাবে সম্ভব নয়। অতিরিক্ত ঠান্ডা পরিবেশে দিনের পর দিন কাজ করায় গলায় ঠান্ডা লেগে স্বর ভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রতিদিনের টানা শুটিং তাঁর কণ্ঠনালীর ওপর প্রচণ্ড বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

তবে গলার এই তীব্র সমস্যা বা শারীরিক অস্বস্তিকে পাত্তা দিয়ে কাজ থামিয়ে দিতে নারাজ স্বস্তিকা। শারীরিক কষ্ট সত্ত্বেও প্রতিবারই পূর্ণ শক্তিতে সঞ্চালনার দায়িত্ব পেশাদারিত্বের সঙ্গে সামলে যাচ্ছেন তিনি। দর্শকদের মনোরঞ্জন দিতে নতুন এই ভূমিকায় নিজেকে আরও নিখুঁতভাবে মানিয়ে নিতে প্রতিদিনই নতুন নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করছেন স্বস্তিকা।


অফিস: নিউ ইস্কাটন রোড, মগবাজার, ঢাকা-১০০০

ইমেইল : info@trendnewsbd.com