নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বললেন খলিলুর রহমান; প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোকবার্তা জ্ঞাপন
নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে বাংলাদেশ। এ কঠিন সময়ে নেপালের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে যেকোনো প্রয়োজনীয় সহায়তায় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিসির খানালের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
টেলিফোন বার্তা ও বাংলাদেশের সংহতি
আলাপকালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই ঘটনাকে ‘ভয়াবহ ট্র্যাজেডি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের উদ্দেশ্যে পাঠানো ব্যক্তিগত শোকবার্তাও পৌঁছে দেন তিনি।
ফোনালাপের প্রধান বিষয়সমূহ:
সহমর্মিতা প্রকাশ: নেপালের কঠিন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জনগণের পূর্ণ সংহতি জ্ঞাপন।
সহায়তার প্রতিশ্রুতি: ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশের প্রস্তুতি।
বাংলাদেশিদের অবস্থা: এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
নেপালের প্রতিক্রিয়া ও সার্বিক মূল্যায়ন
বাংলাদেশের এই তাৎক্ষণিক সহমর্মিতা ও সংহতির জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিসির খানাল।
| বিষয় | বিবরণ |
| পরিস্থিতি মূল্যায়ন | নেপালের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্ধার কাজ ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন চালাচ্ছে। |
| পরবর্তী পদক্ষেপ | মূল্যায়ন শেষে প্রয়োজন দেখা দিলে নির্দিষ্ট সহায়তার জন্য বাংলাদেশকে জানানো হবে। |
| দূতাবাস নজরদারি | প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষায় নেপাল সরকারের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। |
প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যকার নিবিড় সহমর্মিতা কূটনৈতিক ও মানবিক সম্পর্কের দৃঢ় অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করেছে।