সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ভক্তদের সামাজিক কাজে আরও বেশি সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ধানুশ বলেন, “আজ আপনারা সবাই এখানে একত্র হয়েছেন। এই ঐক্যই আমাদের মূল শক্তি। এই শক্তিকে একটি নির্দিষ্ট ও মহৎ উদ্দেশ্যে কাজে লাগিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান। বেশি করে জনকল্যাণমূলক কাজ করুন, প্রতিবেশীদের দুঃখ-কষ্টের খোঁজ নিন এবং তাঁদের একজন হয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।”
দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে রুপালী পর্দার তারকাদের আগমন নতুন কিছু নয়। ২০২১ সালে কিংবদন্তি অভিনেতা রজনীকান্ত রাজনীতিতে আসার ইঙ্গিত দিলেও পরবর্তীতে পিছিয়ে যান। তবে সম্প্রতি অভিনেতা বিজয় আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনৈতিক দল গঠন করার পর থেকেই ধানুশকে নিয়েও আলোচনা জোরদার হয়েছে। এছাড়া এক বক্তব্যের শেষে ধানুশের ‘ওম নমঃ শিবায়’ উচ্চারণ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁর রাজনৈতিক ভাবাদর্শ নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে নানা মেরুকরণ তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ধানুশের বাবা ও খ্যাতনামা নির্মাতা কস্তুরি রাজাকে তাঁর ছেলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কৌশলগত উত্তর এড়িয়ে যান। কস্তুরি রাজা বলেন, “আমি আগেও বলেছি, এই প্রশ্নের জবাব ধানুশের কাছেই চাওয়া উচিত।”
অন্যদিকে, ফ্যান ক্লাবের নতুন পতাকাকে ঘিরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন ক্লাব প্রধান ও পরিচালক সুব্রামানিয়াম শিবা। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এটি নতুন কোনো রাজনৈতিক প্রতীক নয়। গত ১৫ বছর ধরে বিবাহ কিংবা ছবি মুক্তির মতো অনুষ্ঠানে ভক্তরা যে পতাকা ব্যবহার করে আসছেন, গাড়িতে ব্যবহারের সুবিধার্থে সেটিকেই কেবল ছোট আকারে তৈরি করা হয়েছে।
ধানুশের রাজনীতিতে আসার গুঞ্জন প্রসঙ্গে তামিলনাড়ুর ক্ষমতাসীন দল ডিএমকে জানিয়েছে, “যে কেউ রাজনীতিতে আসতে চাইলে আমরা তাঁকে স্বাগত জানাই। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সবার অংশ নেওয়ার অধিকার রয়েছে।”
তবে সব আলোচনা সত্ত্বেও ধানুশ বর্তমানে তাঁর অভিনীত সিনেমা নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন। আগামী কয়েক বছরে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তাঁর বেশ কয়েকটি বিগ বাজেটের চলচ্চিত্র। তাই ফ্যান ক্লাবের সামাজিক কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক জল্পনা বাড়ালেও, ভক্তদের প্রিয় অভিনেতা নিজে আপাতত অভিনয় জগতেই মনোযোগ রাখছেন।