২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।
ম্যাচের ফলাফল এবং টুর্নামেন্টের বিভিন্ন ধাপে বিদায় নেওয়া দলগুলোর প্রাপ্ত আর্থিক পুরস্কারের সম্পূর্ণ তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
| অবস্থান | দলের নাম | প্রাইজমানি (মার্কিন ডলারে) | প্রাইজমানি (বাংলাদেশি টাকায় - আনুমানিক) |
| চ্যাম্পিয়ন (১ম) | 🇪🇸 স্পেন | $৫০ মিলিয়ন | প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা |
| রানার্সআপ (২য়) | 🇦🇷 আর্জেন্টিনা | $৩৩ মিলিয়ন | প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা |
| তৃতীয় স্থান | 🏴 ইংল্যান্ড | $২৯ মিলিয়ন | প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা |
| চতুর্থ স্থান | 🇫🇷 ফ্রান্স | $২৭ মিলিয়ন | প্রায় ৩৩২ কোটি টাকা |
বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলই তাদের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে মোটা অঙ্কের অর্থ পেয়েছে। বিদায় নেওয়া ধাপ অনুযায়ী দলগুলোর প্রাইজমানি ছিল নিম্নরূপ:
কোয়ার্টার ফাইনাল (৫ম - ৮ম স্থান):
রাউন্ড অব ১৬ (৯ম - ১৬তম স্থান):
রাউন্ড অব ৩২ (১৭তম - ৩২তম স্থান):
গ্রুপ পর্ব (৩৩তম - ৪৮তম স্থান):
💡 বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই পারফরম্যান্স-ভিত্তিক পুরস্কারের বাইরেও, টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই তাদের প্রস্তুতি খরচ ও যাতায়াত ব্যয় বহনের জন্য ফিফার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১.৫ থেকে ২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত আর্থিক অনুদান পেয়েছে।
ফলে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোরও সর্বমোট ন্যূনতম প্রাপ্তি নিশ্চিত হয়েছিল ১২.৫ মিলিয়ন ডলার।
এবারের আসরে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ও রানার্সআপ আর্জেন্টিনার প্রাপ্ত অর্থ বিশ্বকাপ ইতিহাসের যেকোনো আসরের তুলনায় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে আর্জেন্টিনা পেয়েছিল ৪২ মিলিয়ন ডলার এবং ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে শিরোপাজয়ী ফ্রান্স পেয়েছিল ৩৮ মিলিয়ন ডলার। এবার সেই অঙ্ক একলাফে বেড়ে চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য নির্ধারিত হয়েছিল ৫০ মিলিয়ন ডলার।