ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, নেটদুনিয়ায় তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ !


অনলাইন ডেস্ক | ট্র্যান্ডনিউজবিডি , আপডেট করা হয়েছে : 21-06-2026

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, নেটদুনিয়ায় তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ !

সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে আকস্মিক প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ ২১ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রুর সই করা এক আদেশে তাঁকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই কর্মকর্তার বদলির খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে সততা ও ভালো কাজের নেতিবাচক মূল্যায়ন হিসেবে দেখছেন।

এই বদলির পেছনে সিলেটের ঐতিহাসিক মাজারগুলোর প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে নেটিজেনরা উল্লেখ করছেন। সাখাওয়াত মিশু নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরাণ (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা আনতে সাহসী উদ্যোগ নিয়েছিলেন ডিসি সারওয়ার আলম। শনিবার তিনি সেখানে নতুন দানবাক্স বসিয়ে সিসি ক্যামেরা লাগিয়েছিলেন এবং তার ঠিক একদিন পরই তাঁকে প্রত্যাহার করা হলো। এই আদেশের সমালোচনা করে এফএম মিজানুর রহমান লিখেছেন, ভালো কাজের মূল্য এভাবেই চুকাতে হবে, অথচ টক শোর আলোচনায় দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার বুলি আওড়ানো হয়।

মাহবুব কবির মিলন তাঁর ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য করেছেন, এই জাতির এটাই স্বাভাবিক চিত্র এবং সারওয়ার আলমের মতো কর্মকর্তা এতদিন যে জেলা প্রশাসক ছিলেন, সেটাই ছিল অস্বাভাবিক। তিনি উল্লেখ করেন, তিনি সারওয়ার আলমকে বহুবার ফোনে বলেছেন যে বুলডোজার চালিয়ে দুই দিনেই প্রত্যাহার হলেও কোনো সমস্যা নেই, তবুও যেন কোনো আপস না করা হয়। অন্যদিকে বিল্লাল এইচ তালুকদার রাজু তাঁর ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, অন্ধের দেশে আয়না বিক্রি করতে আসাই সারওয়ার আলমের অপরাধ, কারণ এস্টাবলিশমেন্টের বিরুদ্ধে গিয়ে এ দেশে অব্যাহতভাবে ভালো কাজ করে যাওয়ার সুযোগ নেই। আমিনুল ইসলাম নামের আরেক নেটিজেন তীব্র কটাক্ষ করে লিখেছেন, সাব-হিউম্যানদের দেশে সততা ও মানুষ হতে চাওয়ার মাশুল দিতে হচ্ছে এই জেলা প্রশাসককে।


অফিস: নিউ ইস্কাটন রোড, মগবাজার, ঢাকা-১০০০

ইমেইল : info@trendnewsbd.com