বিতর্কিত কর্মকর্তাকে দপ্তরে চান মন্ত্রী, দুর্নীতির অভিযোগে জনপ্রশাসনের ‘না’


অনলাইন ডেস্ক | ট্র্যান্ডনিউজবিডি , আপডেট করা হয়েছে : 11-04-2026

বিতর্কিত কর্মকর্তাকে দপ্তরে চান মন্ত্রী, দুর্নীতির অভিযোগে জনপ্রশাসনের ‘না’

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম তাঁর মন্ত্রণালয়ে যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার বিতর্কিত এক কর্মকর্তাকে পদায়নের জন্য ডিও (আধা সরকারিপত্র) দিলেও তাতে সায় দিচ্ছে না জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ এবং একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার নেতিবাচক প্রতিবেদনের কারণে মো. মাহমুদ হাসান নামের ওই কর্মকর্তাকে নিয়ে সরকারের ভেতরেই তৈরি হয়েছে অস্বস্তি।

মন্ত্রীর সুপারিশ বনাম বাস্তব চিত্র

গত ২২ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জনপ্রশাসন সচিবকে দেওয়া চিঠিতে দাবি করেন, মাহমুদ হাসান একজন ‘পেশাদার, সৎ ও সাহসী’ কর্মকর্তা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি বঞ্চনার শিকার হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তবে জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে ভিন্ন কথা।

অতীতের ‘বিব্রতকর’ রেকর্ড

মাহমুদ হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা বেশ দীর্ঘ। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই তাঁর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়:

জনপ্রশাসনের অনড় অবস্থান

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মন্ত্রীর সুপারিশ থাকলেও মাহমুদ হাসানের ট্র্যাক রেকর্ড এবং চলমান তদন্তের কারণে তাঁকে সংবেদনশীল কোনো পদে পদায়ন করা সম্ভব নয়। প্রায় দেড় মাস আগে ডিও দেওয়া হলেও এ কারণেই তাঁকে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে আনা হয়নি।

অভিযোগ অস্বীকার

বর্তমানে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে কর্মরত মাহমুদ হাসান সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, তিনি স্বেচ্ছায় উপদেষ্টার পিএস পদ ছেড়েছিলেন এবং পিডিবিএফ-এ সিন্ডিকেটের নিয়োগ-বাণিজ্যে বাধা দেওয়ায় তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।

তদন্তাধীন এবং বিতর্কিত একজন কর্মকর্তাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনার এই প্রচেষ্টা সচিবালয়ে সাধারণ কর্মকর্তাদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।


অফিস: নিউ ইস্কাটন রোড, মগবাজার, ঢাকা-১০০০

ইমেইল : info@trendnewsbd.com