আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে লেবাননের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শান্তি আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইসরাইল। তবে এই আলোচনায় সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে কোনোভাবেই অন্তর্ভুক্ত করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে তেল আবিব। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত মাইকেল লেটার এই অবস্থান পরিষ্কার করেন।
ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত মাইকেল লেটার অভিযোগ করেন যে, হিজবুল্লাহ ক্রমাগত ইসরাইলি ভূখণ্ডে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। তাঁর মতে: “হিজবুল্লাহ ইসরাইলে হামলা অব্যাহত রেখেছে এবং এই সংগঠনটি দুই দেশের মধ্যে শান্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা।”
এ কারণেই শান্তি আলোচনার টেবিলে হিজবুল্লাহর মতো কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি মেনে নিতে রাজি নয় ইসরাইল। তারা সরাসরি লেবানন সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গেই কথা বলতে আগ্রহী।
প্রতিবেদন অনুসারে, শান্তি আলোচনার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে বৈরুতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে লেবানন ও ইসরাইলের রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে একটি টেলিফোন আলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো সীমান্তে চলমান উত্তেজনা প্রশমন এবং একটি টেকসই যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানো।
লেবাননের রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে:
সময়: আগামী মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে এই আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বিষয়: ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি এবং সীমান্ত স্থিতিশীলতা।
পক্ষ: মার্কিন মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরাইলের সরকারি প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সীমান্ত সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটনের এই উদ্যোগ কতটা সফল হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়। বিশেষ করে হিজবুল্লাহকে আলোচনার বাইরে রেখে লেবানন সরকার কোনো কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারবে কি না, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে সংশয় রয়েছে।