ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব: পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সতর্ক করেছেন যে, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ সরাসরি ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণ করছে এবং অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
আল-আকসার গেট বন্ধ: টানা ৩১ দিন ধরে মসজিদুল আকসার গেটগুলো মুসল্লিদের জন্য বন্ধ রাখার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয় বিবৃতিতে।
একক মালিকানা: মন্ত্রীরা পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ১৪৪ একর আয়তনের পুরো মসজিদুল আকসা প্রাঙ্গণটি শুধুমাত্র মুসলমানদের ইবাদতের জায়গা।
বৈধ কর্তৃপক্ষ: জর্ডানের আওকাফ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত ‘জেরুজালেম আওকাফ ও আল-আকসাবিষয়ক বিভাগ’ এই পবিত্র স্থানের একমাত্র বৈধ কর্তৃপক্ষ হিসেবে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
খ্রিস্টানদের ওপর বাধা: পবিত্র ‘চার্চ অব দ্য হোলি সেপালকার’-এ খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের যেতে বাধা দেওয়ারও কঠোর সমালোচনা করেছেন মন্ত্রীরা।
যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, ইসরায়েলের বর্তমান কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং ঐতিহাসিক চুক্তিসমূহের প্রকাশ্য লঙ্ঘন। উপাসনালয়গুলোতে অবাধ প্রবেশাধিকার প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার, যা এই বিধিনিষেধের মাধ্যমে খর্ব করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা রক্ষায় কঠোর অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।