শুরু: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা চলাকালেই এই যুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
ক্ষয়ক্ষতি: শুরুর দিকে মার্কিন হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনি এবং বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। এছাড়া দক্ষিণ ইরানের মিনাব অঞ্চলে মার্কিন বিমান হামলায় ১৭০ জনেরও বেশি স্কুল শিক্ষার্থীর প্রাণহানি ঘটে।
ইরানের পাল্টা জবাব: ইরান এখন পর্যন্ত ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে ৮৩ দফা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরায়েলের কৌশলগত স্থাপনা এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি।
বর্তমান এই যুদ্ধে ইউক্রেনের ভূমিকা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। প্রকাশ্যেই ইউক্রেনীয় সেনারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে কাজ করছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইউক্রেনের এই সরাসরি সংশ্লিষ্টতা চলমান মস্কো-কিয়েভ সংঘাতকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে ফেলতে পারে, যা রাশিয়ার জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা।