শিশির মনির বলেন, “নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী যে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, তার আইনি ভিত্তি যদি পরে বাতিল করা হয়, তবে সেই প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সংসদের ফলাফলও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। আইনগতভাবে এটি একটি চেইন রিঅ্যাকশন তৈরি করতে পারে, যা পুরো সংসদীয় কাঠামোর বৈধতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে।”
সরকার প্রায় ২০টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের যে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার সমালোচনা করে তিনি বলেন:
সংস্কার বাধাগ্রস্ত হবে: গুম কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার কমিশন এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো বাতিল করা হলে সংস্কার প্রক্রিয়া থমকে যাবে।
পুনর্বিবেচনার আহ্বান: জনগুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্তগুলো পুনর্বিবেচনা করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার ঐক্য নিয়ে অভিযোগ তুলে শিশির মনির বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গঠিত ‘জাতীয় ঐক্যমত কমিশন’-এ ৩০টি বিষয়ে সকল দল একমত হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই ঐক্যমত্যের বিষয়গুলো বাস্তবায়নে বিএনপি টালবাহানা করছে বলে তিনি দাবি করেন।